
শেষ আপডেট: 30 May 2023 07:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো, শিলিগুড়ি: অ্যাম্বুল্যান্সে করে শববাহী কফিনের (Coffin) মাদক পাচারের (Drug Peddling Case) চেষ্টা ভেস্তে দিল পুলিশ। বমাল পাকড়াও করা হল চার পাচারকারীকে। তাদের মধ্যে একজন মহিলা। মঙ্গলবার সকালে শিলিগুড়ির (Siliguri) ফুলবাড়ি থেকে তাদের ধরে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। ধৃতদের কাছ থেকে চৌষট্টি কিলোগ্রাম গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে অ্যাম্বুল্যান্সটিকেও। মাদক পাচারের জন্য অতীতেও নানা উপায় অবলম্বন করেছে পাচারকারীরা।
পুলিশ আধিকারিকরা জানান, ত্রিপুরা থেকে অসম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে নিষিদ্ধ গাঁজা পাচার করা হচ্ছিল বিহারে। এ রাজ্যের নম্বরপ্লেট লাগানো একটি গাড়িকেই এরজন্য বেছে নেওয়া হয়। অ্যাম্বুল্যান্সে রাখা কফিনে ভরা হয়েছিল প্রায় চৌষট্টি কিলোগ্রাম গাঁজা। এরপর মৃতের স্বজন পরিচয় দিয়ে গাড়িতে ওঠে পাচারকারীরা। ভোরে উত্তরবঙ্গের ব্যস্ত একটি হাইওয়ে ধরে এগোচ্ছিল অ্যাম্বুল্যান্সটি। হাইওয়ে থেকে আমবাড়ি ক্যানেল রোড ধরে যাচ্ছিল গাড়িটি।

এদিকে নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে সকাল ন'টা নাগাদ শিলিগুড়ির আমবাড়ি ক্যানেল রোডে ফুলবাড়ির কাছে ফাঁদ পেতেছিল এসটিএফ। গাড়িটি এখানে আসতেই সেটিকে আটকায় এসটিএফ এর একটি দল। এসটিএফের আধিকারিকরা জানান, গাড়ি আটকাতেই প্রথমে তাদের সঙ্গে তর্ক শুরু করে পাচারকারীরা। কেন অ্যাম্বুল্যান্স আটকানো হল, সেই কৈফিয়ত চায়। তাতে কান না দিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। ফুল দিয়ে সাজানো কফিন খুলতেই বেরিয়ে পড়ে ভিতরে সাজানো মোট আঠারোটি গাঁজার প্যাকেট।
ধৃতদের এনজেপি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সমীর দাস, অপূর্ব দে, পাপ্পু মোদক ও সরস্বতী দাস। তাদের প্রত্যেকের বাড়িই কোচবিহারে। বছর ৫৪র অপূর্ব দে গৃহশিক্ষকতা করেন বলে জানা গেছে। আদালতে পেশ করে তাদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
আধার কার্ডে নাম-ঠিকানা বদলাতে চান? ১৪ জুনের আগেই সব সেরে ফেলুন, জানুন কীভাবে