
শেষ আপডেট: 15 March 2019 18:30
আনুষ্ঠানিক ভাবে কলেজের মেডিক্যাল ইউনিটে এই চুক্তিতে সই করেন বিসি রায়ের ডিরেক্টর ডঃ পীযুষ পাল রায় এবং মিশন হাসপাতালের হিউম্যান রিসোর্স বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার রমেশ লাল। বিসি রায় কলেজ ও মিশন হাসপাতালের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিফ মেডিক্যাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডঃ পার্থ পাল, ডঃ দেবাশিস ঘোষ, প্রেসিডেন্ট আর রায়চৌধুরী, জে সিং, ট্রেসারার, ডঃ ত্রিবেনী দেব বর্মন, এপিসি-র ডিরেক্টর অধ্যাপক এস চক্রবর্তী, এপিসি-র প্রিন্সিপাল ডঃ সৌরভ দত্ত, বিসি রায় পলিটেকনিক কলেজের ডিরেক্টর অধ্যাপক প্রবীর নন্দী, ডঃ বিসি রায় ফার্মাসি কলেজের ডিরেক্টর ডঃ সুব্রত চক্রবর্তী -সহ অনেকে। কলেজ পড়ুয়াদের পাশাপাশি, কলেজ কর্তৃপক্ষও হাসপাতালের তরফে চিকিৎসা সংক্রান্ত সবরকম সুযোগ সুবিধা পাবেন, এটাই এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য।
দুর্গাপুর শুধু নয়, রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলির মধ্যে একটি ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। বিটেক, এমটেকের পাশাপাশি উচ্চস্তরের গবেষণারও সুবন্দোবস্ত রয়েছে কলেজে। সেই সঙ্গে রয়েছে এমসিএ, এমবিএ ও ফার্মাসি পাঠের সুবিধা। কলেজের সমস্ত বিভাগ মিলিয়ে পড়ুয়ার সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি। শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী মিলিয়ে সংখ্যাটা পাঁচশো ছাড়িয়েছে। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। কলেজের সাধারণ সম্পাদক তরুণ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, সমস্ত পড়ুয়া ও কলেজ স্টাফদের নিয়মিত মেডিক্যাল চেকআপ, বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নানা বিষয়ের খেয়াল রাখার জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে মিশন হাসপাতালের পক্ষ থেকে।

দুর্গাপুর বিধানগরের ফার্মাসি কলেজ ক্যাম্পাস[/caption]
বিসি রায় কলেজে একটা মেডিক্যাল ইউনিট রয়েছেই। এ বার মিশন হাসপাতালের সহযোগিতায় কলেজের স্বাস্থ্যবিধির মান আড়ে বহরে অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। কলেজের তরফে জানা গেছে, মিশন হাসপাতাল থেকে পালা করে দু’জন চিকিৎসক থাকবেন কলেজে। পড়ুয়ারা যখন খুশি চেকআপের জন্য তাঁদের কাছে যেতে পারেন। শিক্ষক বা অশিক্ষক কর্মচারীরাও তাঁদের শারীরিক সমস্যার কথা খুলে বলতে পারেন। কোনও কারণে অস্ত্রোপচার বা এই সংক্রান্ত জরুরি দরকার পড়লে এই ডাক্তাররাই খবর দেবেন হাসপাতালে। সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তরুণবাবু জানিয়েছেন, শুধু দুর্গাপুর থেকে নয়, রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে কলেজে পড়তে আসেন ছেলেমেয়েরা। হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করেন তাঁরা। চিকিৎসার এই বিশেষ ব্যবস্থা কলেজে থাকলে অভিভাবকদেরও চিন্তা অনেকটা দূর হবে। বাড়ি থেকে দূরে এসেও সুরক্ষিত বোধ করবেন পড়ুয়ারা। এই কলেজের উদ্দেশ্য শুধু উচ্চস্তরের শিক্ষা প্রদান নয়, বরং ছাতার মতোই পড়ুয়াদের আগলে রাখা। তাদের প্রতিটা বিষয়ের খুঁটিনাটি খেয়াল রাখা একজন দায়িত্বশীল অভিভাবকের মতোই। আর এই কাজটাই সফল ভাবে, যত্ন নিয়ে করতে চায় কলেজ।