
শেষ আপডেট: 30 August 2023 14:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হাওড়া: ডোমজুর যুবতী খুনের (Domjur Murder Case) ঘটনায় স্বামীকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল। মৃত যুবতী অনুশ্রী হাজরাকে সেদিন একটি নির্জন জায়গায় ডেকে পাঠিয়েছিল অভিযুক্ত স্বামী চন্দন মাঝি।
বুধবার ঘটনার পুর্ননির্মাণ করতে ঝালুয়ারবেড় এলাকায় চন্দনকে নিয়ে যায়। সেখানেই চন্দন পুলিশের কাছে তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগের কথা স্বীকার করে। পুলিশ সূত্রে আগেই জানা গেছিল, যে ওই যুবতীর মৃত্যু হয়েছে মাথায় গুলি লেগে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এমনই তথ্য উঠে এসেছিল।
রবিবার রাতে ঝালুয়ারবেড় এলাকায় রাস্তার উপরেই পড়েছিল যুবতী অনুশ্রী হাজরার রক্তাক্ত দেহ। সলপের হাজরা পাড়া এলাকায় যুবতীর বাপের বাড়ি। তাঁর আত্মীয় স্বজনদের অভিযোগ ছিল, স্বামী চন্দন মাঝিই এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে। আত্মীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই চন্দনকে গ্রেফতার করা হয়।
অনুশ্রীর আত্মীয়রা জানিয়েছিলেন, বিয়ের আগে থেকে চন্দনের সঙ্গে মেয়ের আলাপ ছিল। প্রেমের সম্পর্ক ছিল দুজনের। তারপর দুই বাড়ির সম্মতিতে চন্দন অনুশ্রীর বিয়ে হয়েছিল। মেয়ে নাচ ভালবাসত। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরাও সে কথা জানতেন। তবে বিয়ের পর থেকে অনুষ্ঠানে মেয়ের নাচার ব্যাপারে বাধা দিতেন তাঁরা। এই নিয়ে মেয়ের সংসারে অশান্তি লেগেই থাকত। এমনকী এই কারণে অনুশ্রীকে মারধর করা হত বলে অভিযোগ ওঠে।
তাই শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গত ছ’মাস আগে ওই যুবতী তাঁর বাপের বাড়িতে চলে এসেছিলেন। বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও করেছিলেন। আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের চাকরি নেন। তাছাড়া পাড়ার বাচ্চাদের নাচ শেখাতে শুরু করেন।
আরও পড়ুন: প্রেমিক সুশান্তর ফাঁসির দাবি আদালতে, সুতপা খুনে রায় ঘোষণা বৃহস্পতিবার