দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবারের বাজারে আলু-পেঁয়াজের দাম ছিল বেশ চড়া। এদিন সে সব নিয়েই কথা বলতে গিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দিতে গিয়ে আলুর দাম বেড়ে গেছে।” তা নিয়ে পাল্টা দিলীপের কটাক্ষ করল তৃণমূল।
শাসক দলের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, একে তো ট্রাম্প হেরেছে। তার উপর বিহারে এক্সিট পোলের ধাক্কা। জোড়া ধাক্কায় সোজা জিনিসটা সোজা ভাবে দেখতে পাচ্ছেন না রাজ্য বিজেপি সভাপতি। কেন্দ্রের ভ্রান্ত নীতির কারণেই আলুর দাম বেড়েছে। তৃণমূলের কথায়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই মিথ্যে কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছেন দিলীপবাবু।
শাসক দলের নেতাদের বক্তব্য, কৃষি নীতিতে বদল ঘটিয়ে আলু, পেঁয়াজ, টমেটোকে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে কেন্দ্র। তাতে এ সব মজুতের সুযোগ পেয়ে গিয়েছে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী। সে কারণে আলুর দাম বাড়ছে।
রাজ্য বিজেপি সভাপতি এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় জনসভা করেন। সেখানে তিনি আমফানের ত্রাণের টাকা লুঠ নিয়ে যেমন তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তেমনই বলেন, বাংলায় বিরোধীদের উপর পুলিশ দিয়ে দমননীতি চালাচ্ছে তৃণমূল সরকার। তাঁর কথায়, “কেউ বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলেই পুলিশ দিয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল করলেই সাত খুন মাফ।”
দিলীপবাবু হয়তো বিমল গুরুংয়ের ঘটনা দিকে আঙুল তুলতে চাইছেন। যতদিন বিমল গুরুং বিজেপির সঙ্গে ছিলেন, ততদিন রাজ্য ছাড়া ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা করা হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূলের সমঝোতা হতেই গুরুং এখন কলকাতায় বহালতবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
এ সবের শেষে অবশ্য দিলীপবাবু তাঁর টিপিক্যাল কায়দায় হুঁশিয়ারি দিতে ভোলেননি। তিনি বলেন, “এক মাস পর দিদির পুলিশের দাঁত ভাঙবেন অমিত শাহ।"