দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাম না করে রাজীব বন্দোপাধ্যায় ও সৌমিত্র খাঁ'কে কার্যত বিজেপি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ। সম্প্রতি ফেসবুকে দলের সমালোচনা করেছেন রাজীব। বুধবার সরাসরি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করেন। বলেন, ২১৩ আসন নিয়ে জিতে আসা দলের মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা না করে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
প্রসঙ্গটিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বৃহস্পতিবার কটাক্ষ করে জানান, এসব তৃণমূলের দলীয় সংস্কৃতি। বিজেপিতে এসব চলে না। ইচ্ছা-অনিচ্ছার সঙ্গে মিলছে না বলেই এসব বলছেন বলে দাবি দিলীপের।
এদিন দলের সমালোচনা নিয়ে দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'যাঁরা বাইরে থেকে এসেছেন, এটা তাদের সংস্কৃতি। ইচ্ছা অনিচ্ছার সঙ্গে মিলছে না তাই এসব বলছেন।'
সৌমিত্র খাঁর পদ ছাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, 'সব দলেই একটা প্রতিযোগিতা থাকে। পার্টি কাউকে বেশি গুরুত্ব দেয়, কাউকে কম। সেগুলো নিয়ে দলে বলার সুযোগ রয়েছে। রাজ্যে না হলে কেন্দ্রীয় নেতারা রয়েছেন। যে পার্টি থেকে এঁরা এসেছেন, সেখানে এরকমই হয়। নিজে নিজেই এক একটা পার্টি। এখানে একটাই পার্টি। নিজের আশা আকাঙ্ক্ষা না মিটলেই এসব বলছেন। ওঁদের কোনও ধৈর্য্য নেই।'
সূত্রের খবর, ঘাসফুল শিবিরে ফেরার জন্য পা বাড়িয়েই রয়েছেন তৃণমূলের এই প্রাক্তন মন্ত্রী। কিন্তু ঘাসফুল শিবির থেকে কোনও সবুজ সংকেত পাননি। পুরোনো দলে মন্ত্রিত্বের পাশাপশি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন রাজীব। কিন্তু বিজেপিতে এখনও তাঁকে কোনও পদ দেওয়া হয়নি। দিলীপ এদিন একথাও স্মরণ করিয়ে দেন, রাজীব দলের কোনও পদে নেই।
তাঁকে নিয়ে দিলীপের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, সৌমিত্র ও রাজীবকে কার্যত বেরোনোর রাস্তা দেখিয়ে দিলেন দিলীপ। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা নিয়ে দিলীপের বক্তব্য, 'এটা তো খুশির খবর। গর্ব করা উচিত। বাংলাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।'