
শেষ আপডেট: 14 May 2018 15:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্টে মামলা চলার পর অবশেষে সাঙ্গ হলো পঞ্চায়েত ভোট। কমিশনের জারি করা দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তির নির্ধারিত দিনেই গ্রামের সরকার গঠনের ভোট হল সোমবার। আদালত নির্ধারিত দিনে ভোট করার ছাড়পত্র দিয়েও খাঁড়া ঝুলিয়েছিল কমিশন এবং সরকারের মাথার উপর। জানিয়ে দিয়েছিল ‘২০১৩-র থেকে যদি বেশি সন্ত্রাস হয় তাহলে যারা নিরাপত্তার ব্যবস্থা দেখে সার্টিফিকেট দেবে তাঁদের ধরা হবে। জীবনহানি হলে ক্ষতিপূরণের জন্য টাকা কাটা হবে তাঁদের বেতন থেকে।’ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর রাজ্য পুলিশের ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিলেন, “গতবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এবার সেই তুলনায় সংখ্যায় অনেক কম। বিভিন্ন জায়গায় মৃতের সংখ্যা নানা রকম দেখানো হচ্ছে। আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে মোট ১২ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। যার মধ্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি ৬ জনের মৃত্যুর সঙ্গে ভোটের কোনো সম্পর্ক নেই।"
রাজনৈতিক মহলের মতে, সোমবার গোটা রাজ্য জুড়ে যে ধরনের সন্ত্রাস হয়েছে তা নিয়ে যদি আবার মামলা হয় তার আগেই আটঘাট বেঁধে রাখলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তা। আদালত যেহেতু ২০১৩কে মাপকাঠি হিসেবে রেখেছিল তাই ডিজিও নিহতের সংখ্যার তুলনা করে রাখলেন।
ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে । কিন্তু সব আশঙ্কাকে মিথ্যা প্রমাণিত করে ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে। ভোট পড়েছে ৭২.৫ শতাংশ। যে ঘটনা ঘটেছে তৃণমূল দল হিসেবে তা চায় না এবং সমর্থনও করে না। প্রশাসন শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছে। কমিশন মাথা ঠান্ডা রেখেছে যতটা সম্ভব। আমাদের কর্মীরাই মার খেয়েছে।আজকের ঘটনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে তার বেশিরভাগ তৃণমূলের। বিরোধীরা যারা বলছেন তাদের দলের লোক, সেটা ভিত্তিহীন এবং অসত্য অভিযোগ। বাড়িতে আগুন লাগিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে সেটাও মিথ্যা।”