দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আজ, ৩০ জুন থেকেই রাজ্যে চালু হচ্ছে ১০ লাখ টাকার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। এবার এই নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই কার্ড কি আদৌ কার্যকর, জানতে চান তিনি। সেই সঙ্গেই দাবি করেন, রাজ্যে এখন ভুয়ো ভ্যাকসিন নিয়ে তোলপাড় চলছে, সেই থেকে দৃষ্টি সরাতেই এই চমক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দিলীপ ঘোষ এদিন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রসঙ্গে বলেন, ভোটের আগেও এই রকম অনেক প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদিবাসী, তফসিলিদের জন্য ভাতা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু, পরে সরকার সেই প্রকল্পের টাকা দেয়নি বলে অভিযোগ দিলীপের। এই নতুন শিক্ষাঋণ প্রকল্পেও সরকার সেই পথেই হাঁটবে বলে দাবি করেন দিলীপ ঘোষ।
এদিন দিলীপ ঘোষ আরও দাবি করেন, সিবিআই তদন্ত ছাড়া ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের 'নায়ক' দেবাঞ্জন সম্পর্কে সমস্ত সঠিক তথ্য সামনে আসবে না। এই সরকারের তদন্তে কারও ভরসা নেই বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
দিলীপ এদিন জানান, তিনি খবর পেয়েছেন একসময় দেবাঞ্জন দেব দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলের আইটি সেলের কনভেনর-ও ছিল। দেবাঞ্জনের এক কর্মীও নাকি বিজেপিকে জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন ভোটার তালিকা তৈরিতে নিযুক্ত ছিল দেবাঞ্জন। এই কথা উল্লেখ করে দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময় ভুয়ো গাড়ি, নীল বাতি ব্যবহার করা হয়েছিল নানা জায়গায়। এতে ভোট প্রভাবিত হয়েছিল। দেবাঞ্জনের মতো আরও অনেকেই এসবে যুক্ত ছিলেন বলেও দাবি করেন দিলীপ ঘোষ। তারা নীল বাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যেত, বিভিন্ন বুথে বুথে ঘুরত অবজারভার হিসাবে।
দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, শুধু দেবাঞ্জন দেব নয়, একুশের নির্বাচনে এরকম আরও অনেক ভুয়ো ব্যক্তিকেই অফিসার সাজিয়ে, ভোটদান থেকে গণনা পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে কাজে লাগিয়েছে শাসকদল। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এ নিয়ে সঠিক তদন্ত না হলে প্রয়োজনে আদালতে যাওয়া হবে।