
বিধবা মায়ের জীবনে নতুন প্রেম, প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দিলেন মেয়ে!
শেষ আপডেট: 17 October 2024 13:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ দিনাজপুর: এলাকার এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক হয়েছে বিধবা মায়ে। তাতে আপত্তি ছিল মেয়ের। মা ও তাঁর প্রেমিককে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে প্রতিবেশীদের ডেকে হুলস্থুল কাণ্ড বাঁধালেন তরুণী। মন্দিরে নিয়ে গিয়ে দুজনের বিয়ে দেন। তারপর মা ও তাঁর প্রেমিককে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এমন ঘটনায় শোরগোল পড়ে গেছে দক্ষিন দিনাজপুরের বালুরঘাট থানার আমবাগান এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানাগিয়েছে, আমবাগান এলাকায় থাকেন রিঙ্কু দে। সেই পাড়ারই বাসিন্দা বাপি পাল। রিঙ্কুর মেয়ের জয়িতার বিয়ে হয়ে গেছে। তিনি শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। ২০২৩ সালে রিঙ্কুর স্বামী মারা যান। মেয়ে জয়িতার অভিযোগ, বাবা মারা যাওয়ার কয়েকদিন পরেই প্রতিবেশীদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, মায়ের সঙ্গে পাড়ার এক ব্যক্তি বাপির সম্পর্ক হয়েছে। বাপি বিবাহিত। তিনি মাকে এবিষয়ে সাবধান করেছিলেন। বাপিকেও তিনি বাড়িতে আসতে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু বাপি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আইনত তাঁরা কোনও অন্যায় করছেন না। রিঙ্কুর দের প্রতিবেশীরা, বাপির সেই যুক্তি মানতে চাননি। পাড়া-প্রতিবেশীদের আপত্তি সত্বেও তাঁরা দুজনেই পরকীয়া সম্পর্ক চালিয়ে যেতে থাকেন। এতে মেয়ে জয়িতার সঙ্গে রিঙ্কুর দূরত্ব বাড়তে থাকে।
মেয়ে জয়িতার অভিযোগ, তিনি বুধবার বাড়ি এসেছিলেন। সেই সময়ে দু’জনকে ঘরের মধ্যে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান ৷ এরপরেই পাড়া প্রতিবেশীদের ডেকে দু’জনকে ঘরের থেকে বাইরে বের করে আনেন৷ স্থানীয় একটি মন্দিরে নিয়ে গিয়ে বাপির মা রিঙ্কুর বিয়ে দেন জয়িতা ৷ এরপরে পুলিশ ডেকে নবদম্পতিকে তাদের হাতে তুলে দেন।
মেয়ে জয়িতার দাবি, আমি চাই না ওঁরা এই পাড়ায় আসুক। তাই তাদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল। যদিও বাপি পালের দাবি, "স্থানীয়রা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে ৷ আমি ওঁকে ভালোবাসি এবং আজকে কালী মন্দিরে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দিলাম ৷ যদি অন্য কোনও উদ্দেশ থাকত, তাহলে আমি বিয়ে করতাম না ৷"
এ নিয়ে বালুরঘাট সদরের ডিএসপি বিক্রম প্রসাদ জানিয়েছেন, "স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে দু'জনকেই থানায় নিয়ে আসা হয়েছে ৷ এই ঘটনার মধ্যে অন্য কোনও বিষয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৷"