
শেষ আপডেট: 9 November 2022 04:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সম্প্রতি দক্ষিণ ভারতের তিরুপতি বালাজি মন্দির ট্রাস্ট তাদের সম্পত্তির পরিমাণ ঘোষণা করেছে। যা দেশের অনেক তাবড় বহুজাতিক সংস্থার সম্পদকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। এই নিয়ে যখন চর্চা চলছে, তখন ঠিক উল্টো ছবি বাংলায়। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে (Dakshineswar Temple) নানান অনিয়মের অভিযোগ তুলে মামলা হল হাইকোর্টে। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে সেই শুনানিতে যে সব অভিযোগ উঠল তা রীতিমতো চাঞ্চল্যকর।
সেবায়েত ও ভক্তদের একটি অংশ এই মামলা দায়ের করেছে হাইকোর্টে। তাদের সুনির্দিষ্ট কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। এক, গেল কালীপুজোয় দক্ষিণেশ্বরে মা ভবতারিণীর উদ্দেশে কয়েক হাজার শাড়ি ও বিপুল গয়না দিয়েছিলেন ভক্তরা, তার নাকি কোনও হিসেব নেই।
দ্বিতীয়ত বলা হয়েছে, বিপুল পরিমাণ সম্পত্তিরও হিসেব পাওয়া যাচ্ছে না। রাজ্য সরকার গত কয়েক বছরে দক্ষিণেশ্বর মন্দির কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন খাতে উন্নতির জন্য ১৩০ কোটি টাকা দিয়েছিল। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ২০ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। এই টাকার নাকি হিসেব নেই বলে পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এক যুগ আগের বেনারসী পরছেন মা ভবতারিণী! এদিকে দক্ষিণেশ্বরে শাড়ির পাহাড়, ব্যাপারটা কী
মন্দিরের ক্ষমতা একটা অংশ নিজের কব্জায় রেখেছে বলে আদালতে জানিয়েছেন মামলাকারী সেবায়েতরা। তাঁদের এও বক্তব্য, আদালতের রায়ে প্রায় বিশ বছর বাদে হওয়া ট্রাস্ট নির্বচনেও অনিয়ম হয়েছে।
এর সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে, মূল মন্দির চত্বরে নির্মিত গেস্ট হাউসের নীচে দোকান বণ্টন পদ্ধতি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ। মামলাকারীদের আর্জি, কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি ইডি-কে দিয়ে এর তদন্ত করানো হোক। অথবা অবসরপ্রাপ্ত কোনও বিচারপতির নেতৃত্বাধীন কমিটি গড়ে দিক হাইকোর্ট, তাঁরা তদন্ত করে দেখুন।
মন্দিরের পক্ষে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, কোনও অনিয়ম হয়নি এবং সমস্ত কিছুর যথাযথ হিসেব রয়েছে।
সমস্ত সওয়াল শুনে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, আগের বিভিন্ন মামলার অর্ডার কপি আদালতে জমা দিতে হবে। সেইসমস্ত মামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখতে চেয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ৫ ডিসেম্বর ফের দক্ষিণেশ্বর মামলার শুনানি হবে হাইকোর্টে।
সাঁওতাল বিদ্রোহের নামে পাত-ভরা ভালমন্দ খাবার! আলিপুর জেল মিউজিয়ামের মেনুকার্ড নিয়ে চরম বিতর্ক