
শেষ আপডেট: 8 November 2019 18:30
সুন্দরবনের একটি ত্রাণশিবিরে[/caption]
ঝড়ের দাপটে ইতিমধ্যেই চরম ক্ষতির মুখে সাগরদ্বীপ ও সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে পড়েছে মাটির বাড়িঘর, জলে ভাসছে চাষের জমি। মাথায় হাত ধান চাষিদের। একদিকে ধানের ক্ষেত তছনছ হয়েছে, অন্যদিকে ঝোড়ো হাওয়া কেড়েছে মাথা গোঁজার ঠাঁই। সন্ধের পর থেকেই সাগরের ধবলাট শিবপুর মৌজার লালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় দেড়শো মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। অধিকাংশই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, রাত দশটার পরে ঘরহারাদের সংখ্যা দু’শো ছাড়িয়েছে।
প্রশাসনের তৎপরতায় ঘোড়ামারা দ্বীপের নিচু এলাকা থেকে লোকজনকে আগেই সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। সন্ধে গড়াতে তাঁদেরও ঠাঁই দেওয়া হয় সাগরের স্কুলবাড়িতে। ছোট জায়গায় ঠাসাঠাসি করেই রাত কাটছে আশ্রয়হীনদের।
বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে আগেই। সাগরদ্বীপ, সুন্দবনের বেশিরভাগ এলাকা প্রায় বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হয়েছে। হ্যারিকেনের আলোই সম্বল। আশ্রিতদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন, এই টিমটিমে আলোও কতক্ষণ জ্বলবে জানা নেই। পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থাও নেই শিবিরে। শুকনো মুড়ি চিবিয়েই খিদে মেটাতে হয়েছে সকলকে। যদিও স্থানীয় বিধায়ক বঙ্কিম হাজরা জানিয়েছেন, ঝড়বৃষ্টির জন্য রান্নার ব্যবস্থা তেমন করা যায়নি। তবে সকলকে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। বিধায়কের কথায়, “সব মানুষকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য কিছু অসুবিধা হচ্ছে, তবে প্রশাসন পূর্ণ সহযোগিতা করছে। আমরা অসহায় মানুষদের পাশে আছি।”
আরও পড়ুন
https://www.four.suk.1wp.in/news-state-10-features-of-cyclone-bulbul/