
শেষ আপডেট: 30 May 2022 06:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রেশনের সমীক্ষার নাম করে বড়সড় প্রতারণা চক্র ফেঁদে বসেছে সাইবার অপরাধীরা (Cyber Crime)। ভুয়ো ফোন যাচ্ছে রেশন গ্রাহকদের কাছে। তারপর তাঁদের কাছ থেকে কথায় কথায় যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য জেনে নেওয়া হচ্ছে। সেই তথ্যকে কাজে লাগিয়েই চলছে প্রতারণা।
আরও পড়ুন: আজ ফের ভিজবে কলকাতা! জ্যৈষ্ঠের 'বর্ষায়' দক্ষিণবঙ্গজুড়ে ঝড়জলের পূর্বাভাস
মূলত সরকারি অফিসার সেজে ফোন করা হচ্ছে রেশন গ্রাহকদের কাছে (Cyber Crime)। ফোন করে তাঁদের প্রশ্ন করা হচ্ছে, ‘আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ কি সরকারি চাকরি করেন?’, ‘আপনার কি চার চাকার নিজস্ব গাড়ি রয়েছে?’ উত্তর ইতিবাচক হলেই বলা হচ্ছে এখন থেকে আর রেশন পাবেন না ওই ব্যক্তি বা তার পরিবার।
সরকারি দফতর থেকে এমন ফোন পেয়ে ঘাবড়ে যাচ্ছেন অনেকেই (Cyber Crime)। অনেকেই সব তথ্য বলে ফেলছেন। সেই তথ্য কাজে লাগিয়ে ওই গ্রাহকের নামেই বেসরকারি সংস্থা থেকে মোটা টাকা ঋণ নেওয়া হচ্ছে। গ্রাহক সেকথা টেরও পাচ্ছেন না। তারপর যখন ঋণের নোটিস তাঁদের কাছে এসে পৌঁছচ্ছে, তখন তাঁরা বুঝতে পারছেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন তাঁরা। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। রেশন ব্যবস্থাকে হাতিয়ার করে এই নতুন ফাঁদ পেতেছে সাইবার অপরাধীরা। দেশজুড়ে এভাবে একাধিক প্রতারণার হদিশ পাওয়া গেছে। পশ্চিমবঙ্গেও এমন অভিনব প্রতারণার শিকার হয়েছেন কেউ কেউ। পুলিশ প্রশাসনের তরফে সতর্ক হতে বলা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, রেশন গ্রাহকদের ফোন করে তাঁদের থেকে যাবতীয় তথ্য জেনে নেওয়া হচ্ছে। তারপর বলা হচ্ছে তাঁদের মোবাইলে একটি ভেরিফিকেশন কোড যাবে। কোডটি বললে রেশন আর বন্ধ হবে না। অনেকেই এই ফাঁদে পা দিচ্ছেন। বলে ফেলছেন মোবাইলে আসা নম্বর, যা আদৌ কোনও ভেরিফিকেশন কোড নয়, আসলে ওটিপি। ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিতে যে ওটিপি দরকার হয়।
পুলিশ জানিয়েছে সরকারি কোনও সমীক্ষাই এভাবে ফোন মারফৎ হয় না। তাই অচেনা সন্দেহজনক ফোন এলে কোনওভাবেই সেখানে কোনও ব্যক্তিগত তথ্য, ফোনে আসা ওটিপি কিছুই বলা যাবে না। অসতর্ক হলেই প্রতারিত হতে হবে।