ব্যাঙ্ক নথির গোলমালে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে হচ্ছে না লক্ষ্মীলাভ! দ্রুত সমাধানের নির্দেশ মুখ্যসচিবের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। সেপ্টেম্বর মাস থেকেই তাতে টাকা দেওয়া শুরু হয়ে গেছে। রাজ্যের সমস্ত আবেদনকারী মহিলার এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি অর্থসাহায্য পাওয়ার কথা। কিন্তু সূত্রের খবর
শেষ আপডেট: 19 October 2021 13:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। সেপ্টেম্বর মাস থেকেই তাতে টাকা দেওয়া শুরু হয়ে গেছে। রাজ্যের সমস্ত আবেদনকারী মহিলার এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি অর্থসাহায্য পাওয়ার কথা। কিন্তু সূত্রের খবর টাকা ঢুকছে না অনেকের কাছেই। আর তার একমাত্র কারণ ব্যাঙ্কের নথির গোলমাল।
নবান্ন সূত্রের খবর, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে এদিন একটি বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব (CS) হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। সেখানে তিনি আলোকপাত করেছেন এই সমস্যার দিকে। অভিযোগ, সরকারি তহবিল থেকে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হলেও এখনও অনেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। আবেদন জমা দেওয়ার সময় ব্যাঙ্কের নথি ও বিবরণে কিছু ভুল থাকার কারণেই এই টাকা আটকে আছে বলে খবর। মুখ্যসচিব এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের।
আজব কাণ্ড, এক ওভারে চার উইকেট, তবু হ্যাটট্রিক পেলেন না নিউ গিনির পেসার
আগামী ৩০ অক্টোবর রাজ্যের বাকি চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নদিয়ার শান্তিপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ এবং কোচবিহারের দিনহাটা, উপনির্বাচনের কারণে এই চার কেন্দ্রের মানুষ এখনই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন না, তা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভোট মিটলে তারা দুই মাসের টাকা একসঙ্গে পাবেন। তবে রাজ্যের বাকি এলাকার মহিলাদের সেপ্টেম্বর মাস থেকেই টাকা পাওয়ার কথা। সেখানেও গোলমাল দেকা দিয়েছে।
মনে করা হচ্ছে, অনেকেই ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি সম্পূর্ণ জমা দেননি। বা ফর্ম ফিলআপে গোলমাল করেছেন। এই সমস্ত আবেদনকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের সমস্যা সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যেই তা করতে হবে, জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, দুয়ারে সরকারের দ্বিতীয় পর্যায়ে যে ক্যাম্প চলেছিল রাজ্য জুড়ে তাতে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্প। এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ২ কোটি আবেদন জমা পড়েছিল। তাঁদের প্রায় সকলেই টাকা পাবেন, নামমাত্র কিছু আবেদন বাতিল হয়েছে নানা কারণে। অধিকাংশ আবেদনই মঞ্জুর হয়েছে। তবে সমস্যা একটাই, আবেদনের সঙ্গে জমা দেওয়া নথিতে গোলমাল করেছেন অনেকে। যার জন্য টাকা আটকে গেছে। ৩০ অক্টোবরের মধ্যেই তা মিটিয়ে ফেলতে হবে, মুখ্যসচিবের নির্দেশ তেমনটাই।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'