
শেষ আপডেট: 29 June 2022 12:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অপরাধ করার (Criminals) পরে এবার গা ঢাকা দেওয়ার নতুন আস্তানা (Shelter) কি নেশামুক্তি কেন্দ্র (Rehabilitation Centre)! একটি ছিনতাইয়ের ঘটনার তদন্তে নেমে এমনই দুই নেশামুক্তি কেন্দ্রের সন্ধান পেল মালিপাঁচঘড়া থানার পুলিশ। আর তারপরেই এই প্রশ্ন ভাবাচ্ছে।
হাওড়া শহর জুড়ে বাড়ছিল মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা। রাস্তায় মোবাইলে কথা বলার সময় অসাবধান হলেই বাইকে চেপে মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নিয়ে পালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা। তদন্তে নেমে নেশা মুক্তি কেন্দ্রে লুকিয়ে থাকা দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করল মালিপাঁচঘড়া থানার পুলিশ।
গত ১১ তারিখ হাওড়ার মালিপাঁচঘড়া থানা এলাকায় এক ছাত্রীর মোবাইল ছিনতাই হয়। কলেজে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় বাইকে করে আসা দুই ছিনতাইকারী। এর পর সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ওই দুই যুবককে চিহ্নিত করে পুলিশ। কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় সোর্স লাগিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও তাদের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষপর্যন্ত পুলিশ গোপন সূত্রে জানতে পারে, ছিনতাইকারী দুই যুবক হাওড়া ডোমজুড় এবং লিলুয়ার দুটি পৃথক নেশামুক্তি কেন্দ্রে আত্মগোপন করে রয়েছে।
এর পরেই পুলিশ ওই রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে যোগাযোগ করে। এরপরেই লিলুয়া থেকে বিশ্বনাথ দাস ও মাকরদহ থেকে সুপ্রভাত প্রামাণিককে গ্রেফতার করা হয়। এগারো তারিখের পর দুজনেই নেশা ছাড়ানোর নাম করে এখানে ভর্তি ছিল বলে জানা গেছে। ধৃতরা নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করে বলে পুলিশের দাবি। ওই ছাত্রীর চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনটিও পুলিশ উদ্ধার করেছে। যে মোটরবাইকে করে এসে তারা মোবাইল ছিনতাই করেছিল সেই মোটরবাইকটিও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।
হাওড়ার সিটি পুলিশের ডিসি (নর্থ) অনুপম সিং বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, ধৃত দুই যুবককে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে। আগে কোনও অপরাধমূলক কোনও ঘটনায় এরা যুক্ত ছিল কিনা তাও খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে। লিলুয়ার নেশা মুক্তি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ভিম গুপ্তা জানান তারা বুঝতেই পারেননি কোনও অপরাধী এখানে এভাবে থাকতে পারে।
পুলিশের পক্ষ থেকে এই ধরনের কেন্দ্রগুলোকে আরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সমুদ্রে তলিয়ে গেছিল জাহাজ, ডুবে ছিল প্রায় এভারেস্ট সমান গভীরে! ৭৮ বছর পর খোঁজ মিলল