
শেষ আপডেট: 23 March 2022 12:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা মহামারী শুরু হওয়ার পরে দু'বছর কেটে গেছে। এই লাগাতার বছর দুয়েক ধরে দফায় দফায় করোনার বিধিনিষেধ (Covid Rules) জারি হয়েছে। লকডাউনে ঘরবন্দি হয়েছেন মানুষজন। এই টানা দু'বছর পরে কোভিডের বিধিনিষেধ পুরোপুরি তুলে দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে করোনার সমস্ত বিধিনিষেধ (Covid Rules) তুলে নেওয়া হবে। এই মর্মে চিঠি লিখে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা। তবে সরকারি নির্দেশিকা জানানো হয়েছে, রাজ্যগুলি নিজেদের মতো করে কোভিড মোকাবিলায় ব্য়বস্থা নিতে পারবে।
কবে থেকে উঠছে কোভিডের বিধিনিষেধ (Covid Rules) ? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী ৩১ মার্চ থেকে করোনার যাবতীয় বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হচ্ছে। নৈশ কার্ফু ও কনটেইনমেন্ট জ়োনের কড়াকড়ি তুলে নিলেও মাস্ক পরা ও সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং-এর বিধি জারি থাকবে।
'মুখ্যমন্ত্রী আসছেন তথ্য লোপাট করতে', বগটুই পৌঁছে বললেন শুভেন্দু
কুড়ি সালে দেশে করোনা মহামারী শুরু হওয়ার পর ২৪ মার্চ থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের আওতায় নানা বিধিনিষেধ (Covid Rules) জারি করা হয়েছিল। ২৫ মার্চ থেকে শুরু হয়েছিল লকডাউন। এর পর সংক্রমণের তীব্রতা দেখে বারে বারেই করোনার বিধিনিষেধ বদলেছে। কখনও কড়া বিধি জারি হয়েছে, আবার কখনও বিধি লঘু করা হয়েছে। সেকেন্ড ওয়েভের সময় সরকারি তরফে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। শুরু হয়েছিল নৈশ কার্ফু। সংক্রামিত এলাকাগুলি চিহ্নিত করে কনটেইনমেন্ট ও মাইক্রোকনটেইনমেন্ট জ়োন চালু হয়েছিল।
বিগত কয়েক মাসে সংক্রমণের কার্ভ অনেকটাই নেমেছে। দেশে এখন দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কম। করোনায় মৃত্যুও কমেছে। কোভিড টেস্ট, কনট্যাক্ট ট্রেসিং ও টিকাকরণে জোর দিয়েছে বিভিন্ন রাজ্য়ের সরকার। রাজ্য ভিত্তিতেও সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে কম। খুলে গেছে স্কুল-কলেজ, অফিস। স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে জনজীবন। তাই এখন করোনার বিধিনিষেধ (Covid Rules) তুলে দেওয়ার কথাই ভাবছে সরকার।
তবে সরকারি নির্দেশিকায় এও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, রাজ্যগুলি তাদের সংক্রমণের কার্ভ দেখে প্রয়োজন মতো ব্য়বস্থা নিতে পারবে। কোভিড মোকাবিলার পাশাপাশি লক্ষ রাখতে হবে যাতে মানুষের চলাফেরা ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপ ব্যাহত না হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির উচিত দৈনিক সংক্রমণ, পজিটিভিটি রেট এবং অ্যাকটিভ কেসের হার খতিয়ে দেখা। সেই অনুযায়ী কোভিড বিধি তুলে নেওয়া যেতে পারে।