দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক ব্যাঙ্ক কর্মচারীর মা করোনা আক্রান্ত হয়ে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেই খবর ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছতেই নড়েচড়ে বসেন তাঁরা। যোগাযোগ করা হয় স্বাস্থ্য ভবনে। প্রশাসনিক স্তরে কথা বলার পর ভবানীপুরের লালা লাজপত রায় সরণির ইউকো ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
করোনা সতর্কতায় এই প্রথম কোনও ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ করে দিতে হল। রাজ্য তো বটেই দেশের মধ্যেও এমন ঘটনা প্রথম বলে মনে করছেন অনেকে। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ গিয়ে ওই ব্রাঞ্চ সিল করে দেয়।
ওই ব্যাঙ্ক কর্মচারী এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ব্যাঙ্কের বাকি কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের তালিকা করছে স্বাস্থ্য ভবন। একইসঙ্গে ওই ব্যাঙ্কে যে সমস্ত গ্রাহকরা এই সময়ের মধ্যে এসেছেন তাঁদেরও নামের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। গোটা ঘটনায় গভীর উদ্বেগে স্বাস্থ্য ভবন। এই ঘটনায় সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকলে বড়সড় বিপর্যয় হতে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের।
ব্যাঙ্ক কর্মচারী আন্দোলনের নেতা সঞ্জয় দাস বলেন, "ব্যাঙ্কে মানুষ আসবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু এই সময়ে দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। তা সবসময় বজায় থাকছে না। এই সময়ে সেটা না করলে বিপদ সবার উপর নেমে আসবে।" অফিসার সংগঠনের নেতা সৌম্য দত্ত বলেন , "আমরা মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে সংগঠনের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি, ব্যাঙ্কের লাইনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য প্রশাসন কঠোর না হলে বিপর্যয় ঠেকানো যাবে না।"