সমস্ত সরকারি পদ ছাড়লেন কর্নেল দীপ্তাংশু, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে ইস্তফা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার রাতেই আন্দাজ করা গিয়েছিল, বৃহস্পতিবার দুপুরে সেটাই হল। সমস্ত সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রতিলিপি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ
শেষ আপডেট: 17 December 2020 10:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার রাতেই আন্দাজ করা গিয়েছিল, বৃহস্পতিবার দুপুরে সেটাই হল। সমস্ত সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রতিলিপি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কেও।
দীপ্তাংশু ছিলেন দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যান। সেই সঙ্গে নবান্নে যে গ্রিভ্যান্স সেল তৈরি হয়েছিল তারও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। দুই পদ থেকেই ইস্তফা দিয়েছেন এদিন। কাজ করতে সুযোগ দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদও জানিয়েছেন কর্নেল।
দীপ্তাংশু আগে বিজেপি করতেন। সংবাদমাধ্যমে বিজেপির হয়ে গলাও ফাটাতেন এক কালে। কিন্তু পরে গেরুয়া শিবিরে বনিবনার অভাব হওয়ায় যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। এদিন তৃণমূল তথা রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমস্ত সংশ্রব ঝেড়ে ফেললেন দীপ্তাংশু।
গতকাল রাতে দীপ্তাংশুকে দেখা গিয়েছিল কাঁকসায় বর্ধমান পূর্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে। সেখানে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, আসানসোলের পুর প্রশাসক তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারিও। জিতেনের বিস্ফোরক মন্তব্য, সুনীলবাবুর ক্ষোভ উগরে দেওয়া সেই সঙ্গে শুভেন্দুর উপস্থিতি—স্বাভাবিক ভাবেই গতকাল রাতে নজর ছিল সুনীলবাবুর বাড়ির দিকে। দেখা যায় সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন দীপ্তাংশুও।
তৃণমূল নেতৃত্বের একটি অংশের পক্ষ থেকে গতকাল বলা হয়েছিল, দীপ্তাংশু দলের তরফে সুনীল মণ্ডলকে বোঝাতে গিয়েছেন। কিন্তু কী বোঝালেন বা বুঝলেন জানা নেই, এদিন সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেন তিনি। প্রসঙ্গত এদিনই তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক সরকারি ভাবে ছিন্ন করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা। ২৭ নভেম্বর মন্ত্রিসভা ছেড়েছিলেন। গতকাল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন, এদিন তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে।
কার্যত দুপুরের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জোড়া ইস্তফাপত্র পৌঁছেছে। একটি শুভেন্দুর। অন্যটি কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরীর।