
সরকারি জমি দখল রুখতে উচ্ছেদ অভিযান
শেষ আপডেট: 12 July 2024 17:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো, কোচবিহার: মন্দিরের পিছনের ফাঁকা সরকারি জমিতে বেআইনিভাবে বেড়া দিচ্ছেন উপপ্রধানের লোক, থানার আইসিকে সেই খবর দিয়েছিলেন এক মহিলা। পুলিশ বেড়া ভাঙতে গেলে মহিলাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ উঠল উপপ্রধান ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার ভিডিও এখন ভাইরাল। যদিও ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল। চোপড়া, আড়িয়াদহের ঘটনার পরে মাথাভাঙায় মহিলা নিগ্রহের সামনে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কোচবিহারের তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতিম রায় বলেন, "আমি ডিভিওটি দেখেছি। উপপ্রধানকেও চিনি। ওই ভিডিওতে উপপ্রধানকে দেখা যায়নি। ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চলছিল। সেখানে পুলিশ গিয়েছিল। গ্রামবাসীদের দুই দলের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়।"
স্থানীয় সূত্রে জানাগিয়েছে, কয়েকদিন আগে মাথাভাঙা শহর সংলগ্ন কান্দুরার মোড়ে এক মহিলাকে মারধর করার ঘটনা ঘটে। জখম ওই মহিলা বর্তমানে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালের বেডে বসে অভিযোগকারিণী জানিয়েছেন, স্থানীয় একটি মন্দিরের পিছনে কিছুটা ফাঁকা জায়গা রয়েছে। সেটি দখল করে নেওয়ার ছক কষছিলেন হাজরাহাট-২ গ্রামপঞ্চায়েতের উপপ্রধান হাসিম আলি ও তাঁর ভাই। পুলিশ আগেই জমিদখলের অভিযোগ পেয়েছিল। তাই বাসিন্দাদের সেদিকে নজর রাখতে বলেছিল পুলিশই।
ঘটনার দিন হাসিম ও তাঁর ভাইয়ের লোকজন বেড়া দিতে এসেছিল। তাঁদের বেড়া দিতে দেখে বলে থানার আইসিকে ফোন করেন ওই মহিলা। পুলিশ ঘটনাস্থলে বেড়া ভাঙতে পৌঁছয়। সেই খবর পেতেই অভিযুক্ত উপপ্রধান ও তাঁর ভাই সেখানে পৌঁছে যায়। অভিযোগকারিণীকে সামনে পেয়ে মারধর শুরু করে। ওই মহিলার অভিযোগ, ওই পরিবারের পুরুষ ও মহিলারা মিলে তাঁকে রাস্তা ফেলে মারধর করেছে। এতে যেভাবে তাঁর সম্ভ্রম নষ্ট হয়েছে। তিনি এর বিচার চেয়ে নবান্নে চিঠি দেবেন।
তবে অভিযুক্ত প্রধান হাসিম আলির দাবি, ওই মহিলাই কালীমন্দিরের পিছন থাকা ফাঁকা জায়গা দখল করতে চেয়েছিলেন।তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। ওইদিন অন্য একজনের দোকানে এসে ঝামেলা করছিলেন। তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মারধর করার অভিযোগ ভিত্তিহীন।