
শেষ আপডেট: 10 November 2022 18:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন একাধিক জনসভায় গিয়ে মহিলাদের আরও বেশি করে 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' (Lakshmir Bhandar)-এর সাহায্য নেওয়ার কথা বলছেন, সেইসময় ঠিক তার উল্টো সুর শোনা গেল ঘাটাল (Ghatal) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যানের (leaders) গলায়। তৃণমূলের (TMC) জনসভায় মহিলাদের উপস্থিতি কম হওয়ায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়ার নিদান দিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতা অমল পণ্ডার এই মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক (controversy) ছড়িয়েছে ঘাটালে। তাঁর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধী দলগুলিও।
বৃহস্পতিবার ঘাটাল লোকসভার সাংগঠনিক জেলার কিষাণ খেত মজুর সংগঠনের উদ্যোগে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে। উপস্থিত ছিলেন পূর্ণেন্দু বসু, শ্রীকান্ত মাহাত-সহ একাধিক জেলা ও রাজ্য স্তরের তৃণমূল নেতা। সেই জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়েই বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন ঘাটাল সংগঠনিক জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান অমল পণ্ডা। এদিন মঞ্চ থেকে বক্তৃতা করার সময়ে হঠাৎই অমলবাবু বলে বসেন, জনসভায় মহিলাদের উপস্থিতি এত কম! লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দিতে হবে এবার।
এদিন দাসপুরের সভা থেকে অমল আরও বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যবাসীকে এত সুযোগ সুবিধা দিচ্ছেন, কিন্তু তা সবাই ভুলে যাচ্ছে। মা-বোনেদের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার শুরু হয়েছে, তারপরও জনসভায় মহিলাদের সংখ্যা এত কম! এখানে পূর্ণেন্দুদা রয়েছে। আমি ওঁকে বলছি দিদির সঙ্গে কথা বলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পটা বন্ধ করে দিন।'
ঘটনার পরপরই অমলবাবুর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাসের কথায়, 'তৃণমূলের সংস্কৃতিই হল মহিলাদের অপমান করা। আজকের এই বক্তব্যের মাধ্যমেই প্রমাণ হয়ে গিয়েছে যে, মহিলাদের ৫০০ টাকা করে দিয়ে ভোট কিনতে চেয়েছিল রাজ্যের শাসকদল। এই টাকাটা ওরা আসলে ভিক্ষা হিসাবে দিয়েছিল। পশ্চিম মেদিনীপুরের মানুষ এই কুমন্তব্যের জবাব ভোটের সময় দেবে।'
অবশেষে স্বস্তি! বাংলাকে কেন্দ্রীয় করের অংশ বাবদ ৮,৭৭৭ কোটি টাকা দিল দিল্লি