করোনা আক্রান্ত চিদম্বরম পুত্র কার্তি, একের পর এক সংক্রমিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একের পর এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। রবিবারই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। এবার আক্রান্ত হলেন কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী প
শেষ আপডেট: 2 August 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একের পর এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। রবিবারই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। এবার আক্রান্ত হলেন কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম পুত্র কার্তি চিদম্বরম।
এদিন নিজেই টুইট করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন কার্তি। ডাক্তারের নির্দেশ মেনে নিজেকে তিনি আইসোলেশনে রাখবেন বলেও জানিয়েছেন কার্তি চিদম্বরম। সোমবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ তিনি লিখেছেন, "এইমাত্র আমার কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। মৃদু উপসর্গ রয়েছে। ডাক্তারের পরামর্শ মতো আমি বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনে থাকছি। যাঁরা সম্প্রতি আমার সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদের কাছে আমার আর্জি, তাঁরা যেন প্রোটোকল মেনে যাবতীয় পদক্ষেপ করেন।"
আরও পড়ুন
রবিবারই করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনিই প্রথম কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যিনি কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলেন। চিকিৎসকদের নির্দেশ মতো তিনি হাসপাতালে রয়েছেন। করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার আগে অমিত শাহ মন্ত্রিসভার বৈঠক করার কারণে অনেকেই ইতিমধ্যেই সেলফ কোয়ারেন্টাইনে গিয়েছেন। এই রাজ্যের বেশ কয়েকজন সাংসদ শাহর সঙ্গে দেখা করার জন্য সাত দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে গিয়েছেন রবিবার।
রবিবারই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তিনিও হাসপাতালে ভর্তি। তবে ভাল আছেন বলেই জানা গিয়েছে। একই দিনে উত্তরপ্রদেশ বিজেপির সভাপতি স্বতন্ত্র দেব সিংও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল বনোয়ারিলাল পুরোহিতের রিপোর্টও পজিটিভ আসে রবিবার। চিকিৎসকরা তাঁকে হোম আইসোলেশনে থাকতে বলেছেন। দেশে এই প্রথম কোনও রাজ্যপাল কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলেন। রবিবারই করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী কমলা রানি বরুণের।
দেশে ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে। টানা পাঁচদিন ধরে রোজ নতুন সংক্রমণ ধরা পড়ছে ৫০ হাজারের বেশি। তবে কেন্দ্রের হিসেব বলছে, আক্রান্তের সংখ্যা বেশি দেখাচ্ছে কারণ দেশে কোভিড টেস্ট আগের থেকে বেড়েছে। তাই বেশি সংখ্যক রোগীকে চিহ্নিত করা যাচ্ছে। রোগ ধরা পড়ছে দ্রুত, তাই চিকিৎসা শুরু হচ্ছে তাড়াতাড়ি। সেরে উঠছেন অনেকেই। করোনা জয়ীদের সংখ্যা প্রায় ১১ লাখ ৮৬ হাজার। সুস্থতার হার প্রায় ৬৫.৮%।