
শেষ আপডেট: 31 January 2023 08:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: এবার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মিডডে মিলের (Midday Meal) খিচুড়িতে আরশোলা (Cockroach)। খবর পেয়েই চন্দ্রকোনার ধামকুড়িয়া এলাকায় ছুটে গেলেন জয়েন্ট বিডিও। বাসিন্দাদের অভিযোগ পেয়ে কেন্দ্রের সহায়িকা ও রাঁধুনি জানান, ভুল হয়ে গেছে। এরপরেই শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই খিচুড়ি (Khichudi) খেতে নিষেধ করেন তাঁরা। মিডডে মিলের খাবার নিয়ে নানা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জেলায় এসেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, সেদিনই এমন ঘটনায় শোরগোল পড়ল জেলাজুড়ে।
চন্দ্রকোনা ২ নম্বর ব্লকের কুঁয়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধামকুড়িয়ার বাসিন্দা সুমন রায়। তিনি জানান, তাঁর ছেলে ধামকুড়িয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পড়াশোনা করে। তিনি বলেন, “মঙ্গলবার আমার ছেলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে মিডডে মিলের খিচুড়ি নিয়ে আসে। বাড়িতে গিয়ে কৌটা খুলতেই দেখি খিচুড়ির মধ্যে আস্ত একটি আরশোলা। আমি সঙ্গে সঙ্গে সেই কৌটো নিয়ে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রে যাই। তখন কেন্দ্রের সহায়িকা ও রাঁধুনি শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিডডে মিলের খিচুড়ি খেতে নিষেধ করে আসেন।”
ধামকুড়িয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মিডডে মিলে আরশোলা পড়েছে, এই খবর জানাজানি হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। কেন্দ্রের সহায়িকা কাকলি চক্রবর্তী বলেন, “এক অভিভাবক এসে ঘটনার কথা জানাতেই আমরা ভুল শিকার করে নিয়েছি। তাড়াতাড়ি গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওই খাবার না খাওয়ার জন্য নিষেধ করে এসেছি।” ঘটনার পর অভিভাবকদের উদ্বেগের খবর পেয়ে কেন্দ্রে পৌঁছন চন্দ্রকোনা ২ নং ব্লকের জয়েন্ট বিডিও অভিজিৎ পোড়িয়া। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে গিয়ে পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখেন তিনি। কথা বলেন এলাকাবাসী ও কেন্দ্রের কর্মীদের সঙ্গে।
৯ জানুয়ারি ময়ূরেশ্বরের মণ্ডলপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিডডে মিলে মেলে সাপ। সেই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে ১৬ জন পড়ুয়া। বমি করতে শুরু করে তারা। তড়িঘড়ি রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। সেখানে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু হয়। খবর জানাজানি হতেই পড়ুয়াদের অভিভাবকরা স্কুলে এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এবার পশ্চিম মেদিনীপুরের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে মিডডে মিলে মিলল আরশোলা।
সিবিআইয়ের অফিসারকে সরানোর নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, কেন এই পদক্ষেপ?