
শেষ আপডেট: 23 March 2022 08:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বগটুইয়ের ঘটনার নেপথ্যে গেরুয়া শিবিরের চক্রান্ত থাকতে পারে বলে বুধবার প্রকারান্তরে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM on Rampurhat)। মঙ্গলবার বাগটুইয়ের ঘটনার পর পরই দিদির পরামর্শে তৃণমূল সমষ্টিগত ভাবেই বলতে শুরু করেছিল যে এর নেপথ্যে ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ রয়েছে।
বলা যেতে পেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার তারই ভাব সম্প্রসারণ করেছেন (CM on Rampurhat)। তাঁর কথায়, “আসলে দাঙ্গা করতে পারছে না। লোকে খেতে পারছে না, তাও বলতে পারছে না। মেয়েরা পড়াশুনা করতে পারছে না, এ কথা বলতে পারছে না। মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছে না, এ কথা বলতে পারছে না। তাই দেশলাই জ্বালানো খুব সহজ, তাই না!”
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই দেশলাই জ্বালাতে চক্রান্তকারীদের জুড়ি নেই। কিন্তু তারা বোঝে না অন্যের ঘরে দেশলাই জ্বালালে নিজের ঘরে এসেও পড়তে পারে। অনেক নষ্টামি, অনেক দুষ্টুমি দেখছি। কালকেও দেখেছেন গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, পেট্রোলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এটা নিয়ে যাতে কেউ বলতে না পারে, তাই হট করে একটা ঘটনা ঘটিয়ে দিচ্ছে।”
এখানেই থামেননি মমতা (CM on Rampurhat)। তিনি আরও বলেন, “সরকার আমাদের আমরা কি চাইব কেউ খুন হোক। আমরা কি চাইব কেউ বোম মারুক। এটা তারাই করে যারা সরকারে নেই। যারা চায় সরকারটা ব্যতিব্যস্ত হোক।”
মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের মন্তব্য নিয়ে অন্য রাজনৈতিক দলগুলিও প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছে। যেমন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বলেছেন, 'তা হলে কি বুঝতে হবে বাম জমানায় যত অশান্তির ঘটনা ঘটেছে তার নেপথ্যে ছিল তৃণমূল। তা সে ছোট আঙাড়িয়া হোক বা লালগড়ে হিংসার ঘটনা!'
আবার প্রদেশ কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নানের কথায়, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা থেকে বোঝা যাচ্ছে উনি অসহায়। মুখ্যমন্ত্রী বুঝতে পারছেন, তাঁর দলের নিচুতলায় যে পারস্পরিক রেষারেষি শুরু হয়েছে তা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা তাঁর নেই। কারণ, সবটাই আর্থিক কারণে হচ্ছে। সেখানে কেউ কারও কথা এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে রাজি নয়। ফলে উপায়ন্তর না দেখে অন্যের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে মানুষ সবটাই বুঝতে পারছে।'
সিপিএম অস্তিত্বহীন, মড়া ধরে টানাটানি করছে বিজেপি: ফিরহাদ হাকিম