তৃণমূলে ঘষটা সাবান, বিজেপিতে গেলেই সানলাইট: রাণাঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতার লাইভ হাইলাইটস
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নদিয়ার রাণাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করছেন। তাঁর বক্তৃতার লাইভ হাইলাইটস।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ইসকনের জন্য ৭০০ একর জমি দেওয়া হয়েছে। এটা একটা বড় ট্যুরিস্ট স্পট হতে পারে।
কল্যাণীতে ট্রিপল আইটি করে
শেষ আপডেট: 11 January 2021 07:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নদিয়ার রাণাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা করছেন। তাঁর বক্তৃতার লাইভ হাইলাইটস।
-
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ইসকনের জন্য ৭০০ একর জমি দেওয়া হয়েছে। এটা একটা বড় ট্যুরিস্ট স্পট হতে পারে।
-
কল্যাণীতে ট্রিপল আইটি করেছি। কল্যাণীতে এইমস তৈরির জন্য সম্পূর্ণ জমি বিনা পয়সায় দিয়েছি।
-
নদিয়া জেলায় মসলিন তীর্থ থেকে শুরু করে শান্তিপুর, কৃষ্ণনগর, তেহট্ট, কালিয়াগঞ্জ, নবদ্বীপ, প্রত্যেকটা অঞ্চলে অনেক কাজ করেছি। আগে রাজনীতি ছাড়া কিছুই হত না।
-
এক সময়ে নদিয়া জেলায় লোডশেডিং হত খুব। আমরা বলতাম, সিপিএমের কোলে লোডশেডিং দোলে। আজ যাঁরা জন্মাচ্ছে তাঁরা জানেই না লোডশেডিং কাকে বলে।
-
সত্যজিৎ বিশ্বাস মারা গেল, তাঁর স্ত্রীকে আমরা প্রার্থী করলাম। জেতাতে পারিনি। জিতলেন এক মহাপুরুষ।
-
তৃণমূলে গেলে সব কালো, আর বিজেপিতে গেলে ভাল। তৃণমূলে গেলে ঘষটা সাবান, বিজেপিতে গেলে সানলাইট পাউডার, ওয়াশিং মেশিন। মিথ্যা কথা বলার কোনও জুড়িদার নেই।
-
মিথ্যা যেমন বলে পুরো বিশ্বাস করে যাবেন। হরে কৃষ্ণ হরে রাম যেমন করেন। ভোট এলেই বলবে, সবার চাকরি করে দেব, বলবে সব মতুয়াদের নাগরিক করে দেব... ভোট শেষ হলেই ডুগডুগি বাজিয়ে পালিয়ে যাবে।
-
পরিষ্কার বলছি, এনআরসি করতে দেব না, এনপিআর করতে দেব না, নিশ্চিন্তে ঘুমোন মায়ের কোলে।
-
১২ লক্ষ ট্যাব বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না, তাই আমরা ছাত্রছাত্রীদের অ্যাকাউন্টে টাকাটা ট্রান্সফার করে দেব।
-
জানুয়ারি মাসে ২০ লক্ষ সাইকেল দেওয়া হবে।
-
২ কোটি মানুষ দুয়ারে সরকারে গেছে। নদিয়া থেকে ৯ লক্ষ মানুষ দুয়ারে সরকার শিবিরে এসেছেন। ৯০ শতাংশ মানুষ পরিষেবা পেয়ে গেছেন।
-
কেউ জানেন হরিয়ানায় কৃষকদের উপর কী জুলুম চলছে, পাঞ্জাবের কৃষকদের উপর কী জুলুম চলছে।
-
অনেক বড় বড় হাসপাতাল আছে, যারা বলছে এখানে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড চলবে না, তাদের বলছি চালাতে হবে।
-
জেলার ছোট ছোট নার্সিং হোমগুলো আছে, তাদের বলছি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের পরিষেবা দিতে। মনে রাখবেন লাইসেন্স বাতিল করার ক্ষমতা সরকারের আছে।
-
আপনাদের বলছি, কেউ যদি (কোনও নার্সিংহোম) আপনাদের হেনস্থা করে, তা হলে একটা এফআইআর করবেন। বাকিটা সরকার দেখে নেবে।
-
উদ্বাস্তুদের পাট্টা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। যে যেখানে কলোনিতে রয়েছেন, সে সেখানে পাট্টা পাবে।
-
দেড় লক্ষ পরিবারকে ফ্রি হোল্ড ডিড তথা পাট্টা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নদিয়াতেও ৫ হাজার ফ্রি হোল্ড টাইটেল ডিড দেওয়া হচ্ছে।
-
আমার মিটিংয়ে ডিস্টার্ব করবেন না। যা বলার দুয়ারে সরকারে বলুন।
-
বিনা পয়সায় চাল, বিনা পয়সায় স্বাস্থ্য, বিনা পয়সায় খাদ্য—দেখান তো দেখি পৃথিবীতে কোনও একটা রাজ্য এমন করেছে! দেখাতে পারলে নাকে খৎ দিয়ে চলে যাব।
-
আমরা সবাই নাগরিক, আমাদের নাগরিকত্ব কে কাড়বে। বলুন তো আমাদের বাবা মায়ের জন্মদিবস কি জানি? তা না জানলে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দেবে বলছে।
- আমিও অনেক সময়ে গরিব মানুষের বাড়িতে যাই। দোকানে যাই। যে অবস্থায় থাকি সেই অবস্থায় যাই। আমি নাটক করি না। ধুলো অবস্থায় যাই, দরকার হলে মুছে নিই। এরা সেজেগুজে যায়, ফাইভ স্টারের খাবার এনে খায়, হিমালয় ওয়াটারের জল খায়। আমি তো প্রাণধারার জল খাই। এটার দাম ৬ টাকা। এটা আমরা মেলায় দিই, উৎসবে দিই, গঙ্গাসাগর মেলায় দিই। আরেকটা হিমালয়ান ওয়াটারের বোতলের দাম কত। জিন্দেগি এত সহজ না রে ভাই। কামিয়াবির জন্য রাস্তায় নামতে হয়।
-
মিথ্যা কথার অমাবস্যা। আগের বার বলল, নরেন্দ্র মোদীকে ভোট দাও ১৫ লাখ টাকা করে অ্যাকাউন্টে দিয়ে দেব। পেয়েছেন কেউ? এর পর উনিশের ভোটের বলল, ২ কোটি লোকের চাকরি দেব। ২ কোটি লোকের চাকরি দূরের কথা ৪০ শতাংশ লোক বেকার হয়ে গেছে।
-
পুরো ভারতবর্ষ ভেঙে পড়েছে, একবার করল নোটবন্দি, তার পর কোভিডে হলাম গৃহবন্দি, এর পর করবে জেলবন্দি। এর পর হেরে গিয়েও বলবে, আমরা জিতেছি। ট্রাম্পের মতো।
-
বাংলায় যা শিল্প বাণিজ্যের সুযোগ হচ্ছে, দেউচা পাচামি থেকে শুরু করে অশোক নগর থেকে শুরু করে.. আগামী দিনে লক্ষ লক্ষ কাজের সুযোগ তৈরি হবে।
-
ভোটের সময়ে টাকা দেবে, টাকা দিয়ে বলবে ভোট দাও। ভোটের সময়ে বাইরে থেকে কিছু লোক আসছে, তারা গ্রামে গ্রামে গিয়ে কুৎসা করছে, গিয়ে বলছে আপকো কেয়া মিলা? টাকা দিলে খেয়ে নেবেন।
-
বলছে, সোনার বাংলা গড়ব, কী সোনার বাংলা তৈরি করবে জিজ্ঞাসা করুন! বাংলায় আর কিছু বাকি আছে সোনার বাংলা তৈরি করতে? সোনার বাংলা অলরেডি তৈরি হয়ে গেছে। এই বাংলা এখন বিশ্ব বাংলা হচ্ছে। সেই বিশ্ব বাংলার বিশ্ব ভোরে সবাই মিলে দেখা হবে।
-
যারা যেতে চান, তাদের ছেড়ে দিন, কোনও অসুবিধা নেই, ছেড়ে দিন। বাইরে এখনও তিরিশ, চল্লিশ হাজার লোক আছে, তারা ঢুকে যাবে।
-
মিডিয়া বিক্রি হয়ে গেছে। শুধু বিজেপি আর বিজেপি, বোতল ছিপি আর কিছু দেখতে পাবেন না।
-
এই কয়েক জন গেছে না, তারা অনেক টাকা বানিয়েছে, তাদের ইডি সিবিআইয়ের ভয় দেখাচ্ছে। সেই জন্য গেছে। তাদের বলছে, যদি টাকা বানাতে চাও বিজেপিতে যাও, যদি দু’নম্বরি করতে চাও বিজেপিতে যাও। বিজেপি করলে সাত খুন মাফ, অন্যরা করলে বন্ধ ঝাঁপ।