
শেষ আপডেট: 6 March 2023 16:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: হাসপাতাল (Jalpaiguri Hospital) কর্মীদের দখল কোন শিবিরের হাতে থাকবে তা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর (2 groups of TMC) সংঘর্ষ (Clash)। উত্তপ্ত হয়ে উঠল জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ডিএসপি হেড কোয়ার্টার সমীর পাল আইসি কোতোয়ালি অর্ঘ্য সরকার বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যান। খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন তৃনমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ। তাঁর মন্তব্যের জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সারা বাংলা হাসপাতাল অস্থায়ী ঠিকা কর্মী সংগঠন তৃণমূলের কোনও সংগঠন নয় বলে জানালে ওই সংগঠনের মুখ্য উপদেষ্টা কৃষ্ণ দাস বেজায় চটে যান।
মহুয়া গোপের সঙ্গে তুমুল কথা কাটাকাটি শুরু হয় কৃষ্ণ দাসের।
ঘটনার খবর ছড়াতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জলপাইগুড়ি শহরের একাধিক জায়গায় পথ অবরোধ করে তৃণমূল পরিচালিত আইএনটিটিইউসি কর্মীরা। সংগঠনের নেতা পুণ্যব্রত মিত্র বলেন, "সারা বাংলা নামে সংগঠন তৃণমুল অনুমোদিত নয়। কিন্তু কৃষ্ণ দাস গায়ের জোরে সেই সংগঠন চালিয়ে যাচ্ছেন। আজ আমাদের কর্মীদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি নিয়ে হামলা হয়েছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এদের শাস্তি চাই।"
তৃনমূল নেতা কৃষ্ণ দাসের পাল্টা দাবি, তাঁরা বিগত ৭ বছর ধরে হাসপাতালে সংগঠন করে আসছেন। তিনি বলেন, "আজ এখানে বৈঠক করতে এসেছিলাম। আমাদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।"
তৃণমূল জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ বলেন, "সম্প্রতি এখানে আমাদের শ্রমিক সংগঠন শুরু হয়েছে। কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। আমাদের শ্রমিক সংগঠনের কয়েকজন আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতি কোনও ভাবে বরদাস্ত করা হবে না। পুলিশকে কড়া পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিষয়টি রাজ্য নেতাদের জানানো হয়েছে।"
ডি এস পি হেড কোয়ার্টার সমীর পাল জানান, দুই শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। খবর পেয়ে তাঁরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।
ভালবাসাকে সম্প্রীতির ফ্রেমে বাঁধালেন মুসলিম যুগল, হইহই করে বিয়ে সারলেন হিন্দু মন্দিরে