
শেষ আপডেট: 13 April 2023 15:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayet Election) ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। বুধবারই সব জেলা শাসক ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission) জানিয়ে দিয়েছে, কারা পঞ্চায়েতে প্রার্থী হতে পারবেন, কারা পারবেন না।
রাজ্য নির্বাচন কমিশন পষ্টাপষ্টি জানিয়ে দিয়েছে, সিভিক ভলান্টিয়াররা (Civic Volunteers) কোনওভাবেই পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না। সিভিকরা রাজ্য সরকারের স্থায়ী কর্মচারী নন। কিন্তু কমিশনের বক্তব্য, তাঁরা স্থায়ী কর্মী না হলেও রাজ্য সরকার চুক্তিভিত্তিতে তাঁদের নিয়োগ করেছে। সেই নিয়োগের কিছু শর্ত রয়েছে। তার ফলে তাঁরা পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না।
একই কারণে সরকারের প্রায় সমস্ত রকমের চুক্তি ভিত্তিক কর্মী পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না। যেমন গ্রাম রোজগার সেবক, শিক্ষা বন্ধু, পঞ্চায়েতের ঠিকা কর্মী বা রাজ্য সরকারের চুক্তি ভিত্তিক সমস্ত ঠিকা কর্মী।
এমনিতে শিক্ষকদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে প্রার্থী হতে কোনও বাধা নেই। রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষক, হাই স্কুল শিক্ষক, প্যারা টিচাররা পঞ্চায়েতে প্রার্থী হতে পারেন। অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক, লেকচারার, গেস্ট লেকচাররাও পঞ্চায়েতে প্রার্থী হওয়ার জন্য যোগ্য।
কোনও ব্যক্তির ২১ বছর বয়স হলেই পঞ্চায়েতে প্রার্থী হওয়া যায়। তবে পঞ্চায়েত স্তরে প্রার্থী বাছাই করতে গিয়ে অনেক সময়ে সমস্যা হয়। নিচু তলায় অনেকের ধারণা নেই যে কারা প্রার্থী হওয়ার যোগ্য কারা যোগ্য নন। রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গ্রামের আশা কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, শিশু শিক্ষা সহায়করাও প্রার্থী হতে পারবেন। তা ছাড়া ইলেকট্রিসিটি বোর্ডের কর্মীদেরও প্রার্থী হতে বাধা নেই। কারণ, বোর্ডের নিয়মে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।