Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

মারণ ভাইরাস নিয়ে প্রথম সতর্ক করেন ইনিই, চিনের সেই ‘হিরো’ ডাক্তারের মৃত্যু করোনার সংক্রমণেই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহামারী হয়ে ছড়িয়ে পড়তে চলেছে সার্সের মতো মতো কোনও প্রাণঘাতী ভাইরাস। প্রথম সতর্ক করেছিলেন ৩৪ বছরের এক যুবক। পেশায় উহান সেন্ট্রাল হাসপাতালের ডাক্তার। ভাইরাসের হানা থেকে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে দেশের মানুষের কাছে তিনি ছিলে

মারণ ভাইরাস নিয়ে প্রথম সতর্ক করেন ইনিই, চিনের সেই ‘হিরো’ ডাক্তারের মৃত্যু করোনার সংক্রমণেই

শেষ আপডেট: 6 February 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহামারী হয়ে ছড়িয়ে পড়তে চলেছে সার্সের মতো মতো কোনও প্রাণঘাতী ভাইরাস। প্রথম সতর্ক করেছিলেন ৩৪ বছরের এক যুবক। পেশায় উহান সেন্ট্রাল হাসপাতালের ডাক্তার। ভাইরাসের হানা থেকে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে দেশের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন ‘ন্যাশনাল হিরো।’ ভাইরাসের সংক্রমণের কথা ফলাও করে রটিয়ে একসময়ে পুলিশের রোষ নজরেও পড়েন। লি ওয়েনলিয়াঙ নামে সেই ডাক্তারেরই মৃত্যু হল করোনাভাইরাসের সংক্রমণে। উহান সেন্ট্রাল হাসপাতালের তরফে বলা হয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত পৌণে তিনটে নাগাদ হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে মৃত্যু হয় লি ওয়েনলিয়াঙের। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। ধীরে ধীরে শরীরে নানা অঙ্গ বিকল হতে শুরু করে। ডাক্তাররা জানান, সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটারি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হন লি। শরীরে খোঁজ মেলে করোনাভাইরাসের। সংক্রমণ এতটাই গভীরভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল যে বাঁচানো যায়নি লি-কে। হাসপাতালে তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, লি-র মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা উহান। অপথ্যালমোলজিস্ট লি ওয়েনলিয়াঙ প্রথম বলেছিলেন মারণ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে দেশে। সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছড়াবে উহানে। সেটা ছিল ৩০ ডিসেম্বর। পরদিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বরই উহানের সি-ফুড মার্কেট থেকে ভাইরাসের সংক্রমণের কথা প্রথম সামনে আসে। আক্রান্ত হন এক ব্যক্তি। তারপরেই মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়তে থাকে ভাইরাসের সংক্রমণ। বেজিং সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ভাইরাসজনিত রোগে মৃত্যু হয়েছে ৫৬০ জনের। অথচ তাইওয়ানের একটি সংস্থার রিপোর্ট বলছে, সত্যিটা চেপে দিচ্ছে কমিউনিস্ট পার্টি। মৃতের সংখ্যা ২৫ হাজারের কাছাকাছি। সংক্রমিত অন্তত দেড় লাখ। হুবেইয়ের রাজধানী উহান থেকে এই ভাইরাস প্রথম ছড়াতে শুরু করে। এখন চিনের সব প্রান্ত তো বটেই, এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বজুড়ে। বিশ্বের অন্তত ২৪টি দেশে ভাইরাসের সংক্রমণের খবর মিলেছে। করোনাভাইরাসের আতঙ্কে হংকংয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন চিকিৎসাকর্মীদের একাংশ। তাঁরা দাবি করেছেন, চিনের সঙ্গে এই শহরের সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হোক। এই দাবি মানা না হলে আরও বহু চিকিৎসাকর্মী এই ধর্মঘটে যোগ দেবেন বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন। হংকংয়ে এখনও পর্যন্ত পনেরো জন করোনাভাইরাস আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। নোভেল করোনাভাইরাস উৎস নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে নানা তর্ক-বিতর্ক চলছে। ইজরায়েলি মাইক্রোবায়োলজিস্টরা আগেই জানিয়েছিলেন ডিসেম্বরে নয় বরং ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছিল তারও অনেক আগে থেকে। সেই সংক্রমণের কথা চেপে গিয়েছিল কমিউনিস্ট পার্টি। এমন খবরও সামনে আসে যে এই ভাইরাসের জন্মদাতা উহানের জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কারখানা বায়ো-সেফটি লেভেল ৪ (BSL-4) ল্যাবোরেটরি।  ইজরায়েলি এক সেনা কর্তা দাবি করেছিলেন, গবেষণাগার থেকেই ছড়িয়েছে ভাইরাসের সংক্রমণ। ঠিক যেভাবে একটা সময় সার্স এবং ইবোলা প্রাণঘাতী হয়ে উঠলে আঙুল উঠেছিল এই ল্যাবোরেটরির দিকেই। ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের রিপোর্টে সামনে এনেছিল চাঞ্চল্যকর তথ্য। তাদের দাবি, সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড এই আরএনএ ভাইরাসকে তৈরি করা হয়েছে মারণাস্ত্র হিসেবেই। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ছোবলে শত শত প্রাণনাশ করা সম্ভব। উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির বিএসএল-৪ ল্যাবোরটরিতে অতি গোপনে এই জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্র তৈরির কাজ চলছিল দীর্ঘ সময় ধরেই। হয় সেখান থেকেই ভাইরাস কোনওভাবে বাইরে চলে গেছে, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবেই সংক্রমণ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।  

```