
শেষ আপডেট: 17 July 2023 11:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: ফের ব্যালট উদ্ধার। এবার হুগলির পাণ্ডুয়ায় (Pandua)। গণনাকেন্দ্রের পিছনে ছড়িয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় অজস্র ব্যালট পেপার।
হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় ব্যালট নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারকে ডেকে জবাব চেয়েছে আদালত। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। গণনাতে যে কারচুপি হয়েছে, ভোট গণনা কেন্দ্রের আশেপাশ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যালট তারই প্রমাণ দিচ্ছে।
পান্ডুয়া ব্লকের ভোট গণনা হয়েছিল বৈঁচির একটি বেসরকারি কলেজে। সোমবার সকালে সেই কলেজের পিছনেই ব্যালট ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পান্ডুয়া পঞ্চায়েত সমিতির ৩৯ নম্বর বুথের এই ব্যালটগুলিতে সিপিএম এবং বিজেপির প্রতীকে ছাপ মারা ছিল বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন সিপিএম এবং বিজেপির কর্মীরা। সিপিআইএমের প্রদীপ সাহা অভিযোগ করেন, “গোটা রাজ্যের মত পান্ডুয়াতেও ব্যালট পাল্টে দেওয়া হয়েছে। সন্দেহ হচ্ছে পঞ্চায়েতের তিনটি স্তরের ব্যালটই এখানে ফেলে দিয়েছিল তৃণমূল। যারা কাগজ কুড়োতে আসে তারা বেশ কিছু ব্যালট নিয়ে গেছে। ব্যালটগুলো কিভাবে বাইরে এলো তার জবাব রিটার্নিং অফিসার কে দিতে হবে। আমরা সংশ্লিষ্ট জায়গায় বিষয়টি জানিয়েছি।”
বিজেপি হুগলী সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার বলেন, “ভোট গণনার দিন তৃণমূলের নেতারা আমাদের কর্মীদের গণনা কেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। আর এখন দেখা যাচ্ছে আমাদের বিজেপির প্রতীকে ছাপমারা ব্যালট ছড়িয়ে আছে। এ থেকেই বোঝা যায় তৃণমূল জোর করে জিতেছে। আমরা নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ জানাব।”
তৃণমূলের হুগলি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইন বলেন, “গোটা রাজ্যের সঙ্গে পান্ডুয়ার মানুষও তৃণমূলকে আশীর্বাদ করেছে। তাই ব্যালট সরিয়ে ফেলার কোনও প্রয়োজন পড়ে না। ভোট মেটার আটদিন পরে বিজেপি আর সিপিএমের নজরে এল ব্যালট। আর কেউ দেখতে পেল না। এসব তৃণমূলকে বদনাম করার চক্রান্ত।”
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পান্ডুয়ার জয়েন্ট বিডিও দিব্যেন্দু সেনগুপ্ত। ব্যালটগুলি কুড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা তাঁকে ঘিরে ক্ষোভ দেখান। ব্যালট কী করে গণনাকেন্দ্রের বাইরে এল তার জবাবদিহি চাইতে থাকেন তাঁরা। ঘটনার তদন্তের আশ্বার দেন বিডিও।
সৌমিত্র খাঁ আসতে চেয়েছিল, অভিষেক দরজা খোলেনি! অপরূপার চাঞ্চল্যকর টুইট