দ্য ওয়াল ব্যুরো: নারদ কাণ্ডে তদন্তের জন্য এ বার পঞ্চায়েত ও পরিবহণ দফতরের কয়েকজন আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চলেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সূত্রে খবর, সামনের সপ্তাহেই এই জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব সারতে চান গোয়েন্দারা। সেই মর্মে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নোটিস দিয়ে বলা হয়েছে সামনের সপ্তাহে সিবিআই অফিসে হাজিরা দিতে।
শুক্রবারই নারদ মামলায় কলকাতা পুরসভার মেয়র তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে চিঠি দেয় সিবিআই। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত পুরসভার ভিআইপি করিডরে কারা দায়িত্বে ছিলেন, তা জানতে চাওয়া হয় পুরসভার কাছ থেকে। পাশাপাশি, সেই সময়ে পুরসভার ভিআইপি করিডরের দায়িত্বে থাকা ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অবিলম্বে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেওয়ার নোটিস দেওয়া হয়। চিঠি পাওয়ার পর শুক্রবারই পুরসভার তিন জন আধিকারিক সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন।
ভোটের আগে থেকেই চিটফান্ড এবং নারদ তদন্তে গতি বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। ইডি এবং সিবিআই সমান্তরাল ভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। নারদ ফুটেজে দেখা গিয়েছিল পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং তৎকালীন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্রকে। কয়েকদিন আগেই চার ঘণ্টা জেরার মুখে বসতে হয়েছিল মদনকে।
সূত্রের খবর, সিবিআই আধিকারিকরা খতিয়ে দেখতে চাইছেন এই আধিকারিকরাই মন্ত্রীর কাছ পর্যন্ত ম্যাথুকে পৌঁছে দিতে মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছিলেন কি না। একই সঙ্গে গোয়েন্দারা আরও দেখতে চাইছেন, এই আধিকারিকরা শুধু কি ম্যাথুকেই পাঠিয়েছিলেন? না কি আরও এই ধরনের টাকা লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে? যেগুলি ক্যামেরায় ধরা পড়েনি। দফতরগুলিতেই এই চক্র বাসা বেঁধেছিল কি না তাও খতিয়ে দেখছেন সিবিআই কর্তারা।
ইতিমধ্যেই পুলিশকর্তা এসএমএইচ মির্জাকে ডেকে জেরা করেছেন গোয়েন্দারা। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেও এই তলব করা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।