
শেষ আপডেট: 14 January 2021 10:36
অন্য দিকে যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বিনয় মিশ্রর ভাইয়ের বিরুদ্ধেও লুক আউট নোটিস জারি করেছে সিবিআই। বিনয়ের বিরুদ্ধে আগেই লুক আউট নোটিস জারি করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। এবার সিবিআইয়ে আতস কাচের নীচে তার ভাইও।
এর আগে লালার পুরুলিয়ার বাড়িতে একাধিকবার হানা দিয়েছে সিবিআই। নানা নথি পাওয়া গেলেও লালার টিকি পাওয়া যায়নি। তাকে হাজিরা দেওয়ার জন্য অন্তত চার বার নোটিস দেন গোয়েন্দারা। কিন্তু লালা যায়নি নিজাম প্যালেসে।
সপ্তাহ দুয়েক আগে গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত এনামুলের থেকে উদ্ধার হওয়া একটি সবুজ ডায়েরি আদালতে পেশ করেছিল সিবিআই। এনামুলকে আপাতত গ্রেফতার করা হয়েছে। সিবিআই আদালতে দাবি করেছে, ওই ডায়েরিতে রয়েছে গরু পাচারের কাঁচা হিসেব। সেই সঙ্গে আদালতকে সিবিআই জানিয়েছে, এনামুলের সঙ্গে লালার যোগাযোগ ছিল।
বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বলেন, “এনামুলের ডায়েরিতে লেখা আছে বি.এম। সবাই জানে বি.এম মানে কে!” শুভেন্দু অধিকারী থেকে দিলীপ ঘোষ সকলেই লালার সঙ্গে তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন। এমনকি নভেম্বর মাসে অমিত শাহ কলকাতায় বসে বলেছিলেন, “শুনলাম কোন এক লালাজিকে ধরতে আয়কর দফতর তল্লাশি চালাচ্ছে। কিন্তু তাতে মমতাদিদি এত রেগে যাচ্ছেন কেন বুঝতে পারছি না। কয়লা তো রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি। তা থেকে আদায় করা রাজস্বের অংশ তো রাজ্যও পায়!”
লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী গনেশ বাগাড়িয়ার সল্টলেকের বাড়ি, বাঙ্গুর অ্যাভিনিউয়ের অফিসেও তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধেও লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে। তিনি দুবাই চলে গিয়েছেন বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। গতকালও বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। প্রাক্তন বিধায়ক মহম্মদ সোহরাবের অফিস এবং বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।