
শেষ আপডেট: 22 August 2023 07:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মামলাকারীর খোঁজ না করে অভিযোগ খতিয়ে দেখুন! মঙ্গলবার একটি মামলার শুনানিতে ঠিক এভাবেই রাজ্যকে ভর্ৎসনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।
১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে (National Flag) কেন্দ্র করে বাঁশবেড়িয়া গ্যাঞ্জেস হাইস্কুলে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ, জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় প্রায় ৩০ জন দুষ্কৃতী সেখানে জড় হয়ে জোর করে জাতীয় পতাকা টেনে নামায় এবং দেশ বিরোধী স্লোগান দিতে থাকে। ছোড়া হয় পাথরও। আইনশৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির এজলাসে মামলা দায়ের করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন মামলার শুনানিতে রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (এজি) আদালতকে জানান, “ঘটনাটি স্কুলের বাইরের ঘটনা। দুটি এফআইআর দায়ের হয়েছিল। ৩১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা এখন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে।” পাল্টা হিসেবে আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তী আদালতকে বলেন, “যদি কিছু না ঘটে থাকে তাহলে রাজ্য এতজনকে গ্রেফতার করল কেন? এর যথাযথ তদন্ত করা হোক।”
প্রধান বিচারপতি বলেন, যেহেতু জাতীয় পতাকার অবমাননার অভিযোগ। রাজ্যকে আরো সক্রিয় হওয়া উচিত। লোকাল পুলিশের স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে আরো আগেই ব্যাবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। সমস্ত অভিযোগে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। রাজ্য যদি চোখ বন্ধ করে থাকে তাহলে সব কিছুই ডার্ক লাগবে।”
১৫ অগস্ট ঠিক কী ঘটেছিল বাঁশবেড়িয়া স্কুলে, এবিষয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবকে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার পাশাপাশি স্কুলকে এই মামলায় যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। ৬ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।
আরও পড়ুন: যাদবপুর হস্টেলের দেওয়ালে ‘লাল টুকটুকে স্বপ্ন’ বাঁচানোর ডাক, সঙ্গে ‘বিড়াল থেকে বাঘ’ হওয়ারও পাঠ