
শেষ আপডেট: 31 January 2020 09:31
মহম্মদ আলিফ বলেন, “এমন সময় আমার বিয়ে হচ্ছে, যখন দেশ জুড়ে জাতীয় নাগরিকপঞ্জির বিরোধিতা চলছে। একজন ভারতীয় হিসাবে আমি মনে করি যে, এই নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করা উচিত। তাই বিয়ের কার্ডে ‘নো সিএএ, নো এনআরসি’ লিখে প্রতিবাদ জানাচ্ছি যাতে আত্মীয় পরিজনদের কাছে এই প্রতিবাদের কথা সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়।” অভিনব এই প্রতিবাদে সায় দিয়েছেন মহম্মদ আলিফের বাবা শেখ ইউসুফ আলি ও তাঁর মা মরহুম নহুরা বেগম।
বিভিন্ন সময়ে প্রীতিভোজের মেনুকার্ডে নানা বৈচিত্র্য দেখা যায়। কখনও তা তৈরি করা হয় আধার কার্ডের আদলে, কখনও তা দেখা যায় সাম্প্রতিক কোনও বিষয়ের সঙ্গে সাজুয্য রেখে। নিমন্ত্রণপত্রও সময়ের সঙ্গে বদলেছে। একসময় নিমন্ত্রণের বার্তা লেখা হত কাপড়ের উপরে। পরে ধীরে ধীরে তার জায়গা নেয় কাগজ। আরও পরে শক্ত কাগজের তৈরি কার্ড। একসময় সানাইয়ের বাঁশি ও প্রজাপতি থাকত বিয়ের কার্ডে। সেখান থেকে বদল হতে থাকে কার্ডের। মাপ বদলে যাওয়ার পাশাপাশি কার্ডের উপরে কখনও এসেছে পালকি, কখনও গাঁটছড়া। কলমাও দেখা যায় বিয়ের কার্ডে। সে সবই বিয়ের অনুষঙ্গ। সম্ভবত কখনও এই কার্ড প্রতিবাদের হাতিয়ার হয়ে ওঠেনি।
গত শতকের চল্লিশের দশক থেকে শুরু করে অন্তত ষাট বছর ধরে নিয়ম করে কার্ডের নীচে লেখা থাকত ‘সরকারি নিমন্ত্রণ বিধি প্রযোজ্য’ তবে বিয়ের কার্ডের মাধ্যমে সরকারি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার নজির মেলা সত্যিই।