
শেষ আপডেট: 6 December 2022 11:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: শ্বশুরবাড়িরর অত্যাচারে অন্তঃসত্ত্বা বধূ মৃত্যুর অভিযোগ (Bride torture) ঘিরে উত্তেজনা নৈহাটিতে (Naihati)। মেয়ের মৃত্যু শোকে ভেঙে পড়েছেন বধূর মা ও দিদিমা। ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকার মানুষ।
প্রতিবেশীদের অভিযোগ, নৈহাটি দোগাছিয়া তালবাগানের বাসিন্দা বছর বাইশের পুজা হালদারের সম্বন্ধ করে বিয়ে হয় কুলিয়াগড় দিঘিরপাড়ের বাসিন্দা বিধান হালদারের। বিধান পেশায় রাজমিস্ত্রির কন্ট্রাকটর। প্রথমে দাবি দাওয়া না থাকলেও বিয়ের পর থেকে পণ দাবি করতে থাকে বিধান। কখন ৫০ হাজার, কখন এক লক্ষ টাকা দাবি করে সে। কিন্তু পূজার পরিবারের পক্ষে সেই টাকা দেওয়া সম্ভব ছিল না। বাবা নেই, তাই পরিচারিকার কাজ করে ওই যুবতীর মা মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন।
বেজির মাংস খেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট, ভিডিও ভাইরাল হতেই গ্রেফতার যুবক
প্রতিবেশী নিরঞ্জন মণ্ডলের অভিযোগ, প্রতিদিন ওই যুবতীর উপর অত্যাচার চালাত বিধান। শ্বশুরবাড়িতে এসেও স্ত্রীকে মারধর করেছে। ওই যুবতী পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এমন অবস্থায় স্ত্রীয়ের পেটে লাথি মেরেছিল সে। তাতে গর্ভপাত হয়ে যায়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই যুবতীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসা চলার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে ওই যুবতী। কিন্তু পরের দিনই তাঁর পেটে আবার যন্ত্রণা শুরু হয়। কল্যাণী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে মৃত্যু হয় ওই যুবতীর। নিরঞ্জনবাবু ও বাকি প্রতিবেশীদের দাবি অভিযুক্ত স্বামী ও তার পরিবারের যথাযথ শাস্তি হোক।
মহম্মদপুরের উপপ্রধান হারান ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁরা নির্যাতিতার পরিবারের পাশে রয়েছেন। এই ঘটনায় পরেই যুবতীর স্বামী, শাশুড়ির বিরুদ্ধে শিবদাসপুর থানায় বধূ নির্যাতন ও খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে নির্যাতিতার পরিবার।