
শেষ আপডেট: 16 August 2023 12:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই মুহূর্তে উপাচার্যহীন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)৷ প্রথম বর্ষের ছাত্রের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় সামনে এসেছে ব়্যাগিংয়ের তত্ত্ব। অভিযোগ, উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে নষ্ট হচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরের পরিবেশ। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন পড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার উপাচার্য নিয়োগে তৎপর রাজভবন। যাদবপুরের ঘটনায় বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। যার তীব্র সমালোচনা করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya basu advised governor about Jadavpur issue)।
তাঁর কথায়, “আমি্ তো ওনার সঙ্গে আলোচনা করতে চাইছি, কাজটা একসঙ্গে করতে চাইছি। কিন্তু উনি যেভাবে সবকিছু একা কুক্ষিগত করতে চাইছেন, তাতে একটা বিষয় স্পষ্ট- উনি একাই সব কিছু বলবেন। এমন স্বৈরাতান্ত্রিক মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।”
বস্তুত, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে এর আগে রাজ্য রাজ্যপালের সংঘাতের সাক্ষী থেকেছিল বাংলা। এমনকী পঞ্চায়েত ভোটের সময় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সমান্তরাল হেল্প লাইন চালু করেছিল রাজভবন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রাজ্যপালকে আক্রমণ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “রাজ্যপাল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন। ভাল কথা। কিন্তু উনি এই যে বৈঠক করছেন, তারপর কাকে জানাবেন? আমাদের রাজ্যের সরকারকেই জানাবেন। রাজ্যের পুলিশকে জানাবেন। চিফ সেক্রেটারিকে জানাবেন। হোম সেক্রেটারিকে জানাবেন। তাহলে সেখানে উচ্চ শিক্ষা দফতরকে বাইপাস করে কী লাভ?”
গত বুধবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যু হয় এক পড়ুয়ার। র্যাগিংয়ের কারণেই ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে৷ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশ্যে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যপালের ভূমিকারও সমালোচনা করেছিলেন শাসকদলের প্রথমসারির নেতারা। এরপরই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করা এবং বিশ্ববিদল্যায়ের ভিতরের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে তৎপর হয় রাজভবন। অভিযোগ, সেখানে উচ্চ শিক্ষা দফতরকে ডাকার প্রয়োজনও মনে করেননি রাজ্যপাল। সে কারণেই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শিক্ষামন্ত্রী সরব হয়েছেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আরও পড়ুন: ঘটনার দিন হোস্টেলের ভিতরে যায়নি পুলিশ, গেট বন্ধ ছিল সুপারের নির্দেশে: যাদবপুরের নিরাপত্তারক্ষী