
শেষ আপডেট: 16 August 2023 12:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রীর পর এবার শিক্ষামন্ত্রী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈরাজ্যে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu about Jadavpur student death)।
পূর্ব নির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী, নিহত ছাত্রর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বুধবার দুপুরে তৃণমূল ভবন থেকে নদিয়ার হাঁসখালির বগুলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল (Tmc delegation)। দলে রয়েছেন রাজ্যের তিন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার এবং দলের যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষ।
সেখানে যাওয়ার আগেই এদিন সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন ব্রাত্য। এই নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে এবার রাজ্যের সচেতন নাগরিকদেরও তাকানো উচিত বলেও মন্তব্য করেন ব্রাত্য। রাজ্যের আর এক মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কথায়, “যাদবপুরে বহুদিন ধরে এই ব়্যাগিং চলে আসছে। সবাই সবটা জানে। এই অতি সক্রিয় মানসিকতারই ফল যাদবপুরের ওই ছাত্রের মৃত্যু।”
প্রসঙ্গত. গত সোমবার স্বাধীনতা দিবসের প্রাক সন্ধেয় বেহালায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে যাদবপুর প্রসঙ্গে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “ওখানে কটা আগমার্কা সিপিএম আছে। তারা মনে করে, নতুন ছেলেমেয়েরা গ্রামবাংলা থেকে এলে তাদের উপর অত্যাচার করা তাদের অধিকার।” যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ ঢুকতে না দেওয়া নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “ওখানে পুলিশ ঢুকতে দেয় না,. সিসিটিভি লাগাতে দেয় না। একটা আতঙ্কপুর হয়ে গেছে। যে ঘটনা ঘটেছে তাতে আমি দুঃখিত, আমি স্তম্ভিত, আমি মর্মাহত।”
বছর ছয়েক আগে যাদবপুরের একাংশ পড়ুয়া সরকারের বিরুদ্ধে ‘হোক কলরব’ স্লোগান তুলেছিলেন। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনেও তীব্র কটাক্ষ করেন ব্রাত্য। তাঁর কথায়, “বছর ছয়েক আগে হোক কলরব হয়েছিল। তাঁদের নেতৃস্থানীয়রা কোথায়?”
আরও পড়ুন: মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়া সুমন কীকরে এমন ষড়যন্ত্রে জড়িত, বুঝেই উঠতে পারছেন না দিদি