
শেষ আপডেট: 24 March 2023 12:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: শ্বশুরের সঙ্গে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা (HS Examination) দিতে স্কুলে গিয়েছিল তরুণী। পরে রেললাইন থেকে দেহ মিলল তাঁর (body of young woman)। মৃতার নাম কবিতা গুপ্ত (২০)। খুন না আত্মহত্যা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা। বধূর মৃত্যুর তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে তাঁর পরিবারের লোক।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল কবিতা। বাংলা আর এডুকেশনে অকৃতকার্য হওয়ায় এবার দুটি বিষয়ে আবার পরীক্ষা দিচ্ছিল। বৃহস্পতিবার লিলুয়া থেকে কবিতার শ্বশুর (father-in-law ) তাঁকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেন। তাঁর সিট পড়েছিল চণ্ডীতলার নৈটি স্কুলে। এরপর থেকেই আর খোঁজ মিলছিল না তাঁর। বেলায় জনাই ও গোবরা স্টেশনের মাঝে ১৪ নম্বর রেল গেটের কাছে লাইনের উপর তাঁকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
কবিতার শ্বশুর সুশান্ত দাশগুপ্ত বলেন, “বৌমাকে পরীক্ষার হলে ঢুকিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সবাই বেরিয়ে এলেও ওকে বেরোতে দেখিনি। তারপরেই ওই স্কুলে ঢুকে খুঁজি। সবাইকে জিজ্ঞাসা করি। কিন্তু কেউ সদুত্তর দিতে পারেনি। ওর মাকে ডেকে নিয়েই খোঁজাখুঁজি করছিলাম। একটু পরেই শুনি রেলগেটের কাছে লাইনের উপর একজন পড়ে আছে। সেখানেই বৌমাকে দেখতে পাই। কী করে এমন হল কিছুই বুঝতে পারছি না।”
গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হাওড়ার লিলুয়ার বাসিন্দা দেবাশিস গুপ্তর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল কবিতার। কবিতার মা অনিতা সরকারের অভিযোগ, “বিয়ের পর থেকেই পণের জন্য কবিতাকে চাপ দিত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এই নিয়ে কয়েকবার অশান্তিও হয়েছে। আমাদের সন্দেহ ওর শ্বশুর ওকে ঠেলে রেললাইনে ফেলে দিয়েছে। আবার এও হতে পারে সংসারের ঝামেলায় আত্মহত্যা করেছে। আমরা এর তদন্ত চাই।”
এই মর্মেই থানায় অভিযোগ করেন কবিতার মা অনিতা। সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে চণ্ডীতলা থানার পুলিশ।
কেষ্ট জেলে, ওর মেয়েটার খোঁজ-খবর রাখিস: বীরভূমের নেতাদের বললেন দিদি