দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার একটি টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, "দলে যত পচা লোক, সব ঢুকিয়েছে ওই গদ্দারটা"। আজ শুক্রবার সেই 'গদ্দার'-এর খাস তালুকেই যাচ্ছেন মমতা। মানে কাঁচড়াপাড়া। এ দিন বিকেলে তাঁর সভা করার কথা সেখানে। নবান্ন থেকে হেলিকপ্টারে কল্যাণী যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে গাড়িতে যাবেন সভাস্থলে।
এ দিকে গেরুয়া শিবিরও মুখ্যমন্ত্রীকে ফের 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান শোনাতে পারে। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী যেখানে হেলিকপ্টার থেকে নামবেন, আশেপাশের বাড়ির ছাদ থেকে 'জয় শ্রীরাম' লেখা ব্যানার ফেস্টুন দেখাতে পারেন বিজেপি কর্মীরা। কল্যাণী থেকে কাঁচড়াপাড়া যাওয়ার রাস্তাতেও বিজেপি কর্মীরা ওই স্লোগান দিতে পারে বলে খবর।
পর্যবেক্ষকদের মতে, চন্দ্রকোণা এবং নৈহাটির ঘটনার পর বিজেপি এই কৌশলই নিয়েছে। যাতে মুখ্যমন্ত্রী চটে যান। তাতেই গেরুয়া শিবিরের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফল। এখন দেখার শুক্রবার কী হয় কল্যাণী-কাঁচড়াপাড়ার রাস্তায়।
ভোটের আগে ওই এলাকায় গিয়ে নাম না করে মুকুল রায় এবং অর্জুন সিং-কে 'দুই গদ্দার' বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন দিদি। তখন যদিও বীজপুরের বিধায়ক তথা মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশু রায় তৃণমূলেই ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে ফেলেছেন। সঙ্গে কাঁচড়াপাড়া ও হালিশহর পুরসভার কাউন্সিলররাও সদলবলে যোগ দিয়েছেন বিজেপি-তে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই এলাকার দলীয়কর্মীদের মনোবল বাড়াতেই কাঁচড়াপাড়া যাচ্ছেন মমতা।
ইতিমধ্যে মমতার সভার পাল্টা কর্মসূচিও নিয়ে ফেলেছে বিজেপি। শনিবার স্থানীয় আদর্শ সংঘের মাঠে সভা করবেন মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন সিংরা।