
শেষ আপডেট: 19 October 2020 18:30
২) সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিকে কন্ঠস্থ করে তা নির্ভুল ভাবে মানুষের মধ্যে জোরদার প্রচার করতে হবে।
৩) রাজ্য সরকার তথা তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, কাটমানি, চিটফান্ডের মতো ইস্যু নিয়ে প্রচারকে তুঙ্গে তুলে ধরতে হবে।
৪) আগামী এক মাসের মধ্যে বুথে বুথে পান্না প্রমুখ (ভোটার লিস্টের একটি পাতা পিছু একজন) নিয়োগ নিশ্চিত করুন। শুধু নিয়োগ করলেই হবে না তাঁদের নজরদারিতে রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর কাজের পর্যালোচনা করতে হবে।
৫) যাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারী প্রকল্পে সুযোগ সুবিধা পেয়েছেন তাঁদের সঙ্গে আরও বেশি করে সম্পর্ক স্থাপন জরুরি কাজ।
৬) প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় থাকা ক্লাব, সামাজিক সংগঠন, এনজিও-সহ এলাকায় সামাজিক প্রতিষ্ঠা রয়েছে এমন রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক ব্যাক্তিদের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়ানো জরুরি কাজ।
৭) দলের মধ্যে উপদলীয় কাজ যারা করবে তাদের রেহাই মিলবে না। দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।
উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলার জেলা সভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদক, ৫৪ টি বিধানসভার কনভেনার, কো-কনভেনার, সাংসদ ও বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন সোমবারের বৈঠকে। বৈঠকে বিজেপি সভাপতি বলে গিয়েছেন, তিনি যা যা নির্দেশ দিয়েছেন তা কী কী কার্যকর হল এবং হল না তা পর্যালোচনা করতে দুমাস পর ফের রাজ্যে আসবেন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সারা বছরের রাজনৈতিক কর্মসূচির সাংগঠনিক কাঠামো আর নির্বাচনী সংগঠনের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। পুজোর আগে এসে সেই কাজেই অক্সিজেন দিতে চাইলেন নাড্ডা।