Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?

বিজেপি থার্ড লকেটের এলাকায়, স্থানীয় নেতাদের দুষলেন সাংসদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নয়াদিল্লির (New Delhi) দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ তাঁকে বাংলা (Bengal) থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) ভোটের বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছে। সেই ভোট করে সোমবার যখন দিল্লিতে বসে বাংলার চার পুরনিগম নির্বাচনের ফল দেখলেন হুগল

বিজেপি থার্ড লকেটের এলাকায়, স্থানীয় নেতাদের দুষলেন সাংসদ

শেষ আপডেট: 14 February 2022 15:22

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নয়াদিল্লির (New Delhi) দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ তাঁকে বাংলা (Bengal) থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) ভোটের বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছে। সেই ভোট করে সোমবার যখন দিল্লিতে বসে বাংলার চার পুরনিগম নির্বাচনের ফল দেখলেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, তখন জানলেন তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত চন্দননগর কর্পোরেশন এলাকায় তৃতীয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে গেরুয়া শিবির। কিন্তু কেন এমন ফল? দ্য ওয়াল-এর তরফে যোগাযোগ করা হলে রাখঢাক না করেই পষ্টাপষ্টি হুগলির সাংসদ জানিয়ে দিলেন, ‘যাঁদের দায়িত্ব ছিল ভোট পরিচালনা করার তাঁরা ঠিকমতো করতে পারেননি। আমি গিয়ে দেখব।’ তিনি এও বলেন, গত পাঁচ-ছ’মাস ধরে আমি উত্তরাখন্ডের ভোটের জন্য যেতে পারিনি। আমি ফিরে দেখব। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে চন্দননগর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের থেকে হাজার তিনেক ভোটে পিছিয়ে ছিলেন লকেট। কিন্তু কর্পোরেশন এলাকা থেকে লিড ছিল বিজেপির। দেখা গেল শহুরে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তদের যে ভোট ব্যাপক ভাবে গিয়েছিল গেরুয়া বাক্সে, বাইশের গোড়ায় তার অনেকটাই ক্ষয় হয়েছে। দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে অভূতপূর্ব উত্থান হয়েছে বামেদের। বামফ্রন্টের ভোট সঙ্গে বাম সমর্থিত নির্দলের ভোট একসঙ্গে করলে দেখা যাচ্ছে তা প্রায় ৩০ শতাংশ। বিজেপি সেখানে ১০ শতাংশও ছুঁতে পারেনি। হুগলি বিজেপির এক প্রবীণ নেতা ভোটের দিনই ঘনিষ্ঠ মহলে আলোচনায় বলেছিলেন, ধনেখালি, বলাগড় থেকে লোক এনে বুথ ক্যাম্প ভরালেও ভোট পাওয়া মুশকিল। কারণ সংগঠনের নড়াচড়াই তো নেই! তিনি এও বলেছিলেন, রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে বিভাজন, জেলা নেতৃত্বের ভাগাভাগি—এ সবই নিচুতলায় চুঁইয়ে নেমেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ বলেন, 'ভোট বেড়েছে ঠিকই। কিন্তু আমরা চন্দননগরের ফলাফল যা আশা করেছিলাম তা হয়নি। চারটে আসন আমরা কান ঘেঁষে হেরেছি।' তবে স্থানীয় সিপিএমের অনেকেই বলছেন, আট মাসের মধ্যে ১১ শতাংশ ভোট বাড়া চাট্টিখানি ব্যাপার না। এ ব্যাপারে দেবব্রতবাবু বলেন, 'ভোট বাড়ার কারণ,আমাদের কর্মীদের নিরলস রাস্তায় থাকা। বিধানসভায় ওইরকম হারের পরেও কোভিড আক্রান্তদের পাশে রেড ভলান্টিয়ারদের জীবন বাজি রেখে পৌঁছে যাওয়া। বিজেপি মার্কেটেই ছিল না। মানুষ অভিজ্ঞতায় দেখেছেন কারা কী করছে। তবে আমাদের আরও এগোতে হবে।' বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একটা অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়, তা হল মিশ্র এলাকায় সাম্প্রদায়িক বিভাজন করে তারা নিজেদের মাটিকে শক্ত করে। উত্তেজনা জিইয়ে রেখে বিভাজনের বাতাবরণ ধরে রাখতে চায়। এই চন্দননগরও গত কয়েক বছরে একাধিক হিংসার ঘটনা দেখেছে। কিন্তু সেসব পেরিয়ে সামগ্রিক ভাবে চন্দননগরের পুরএলাকার মানুষ বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করেছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের অনেকের।

```