দ্য ওয়াল ব্যুরো : রাজ্য পুরোপুরি কোভিড মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বিধানসভার সাত কেন্দ্রের উপনির্বাচন চান না। সোমবার একথা স্পষ্ট করে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, রাজ্যে কোভিড এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। নির্বাচন কমিশন চাইলেই ভোট করাতে পাবে। প্রসঙ্গত, স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে। বিধানসভার সদস্য না হয়েও ছয় মাস মন্ত্রী থাকা যায়। মুখ্যমন্ত্রী এদিন খানিক ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘চারমাস তো ইতিমধ্যে হয়ে গেল।’ অন্যদিকে, দিলীপবাবু বলেন, ‘ভোট ভোটের সময় হবে। ভোট না হলে তো আর সরকার পড়ে যাচ্ছে না। সরকার সরকারের মতো চলবে।’ তাঁর কথায়, স্পষ্ট ছয় মাসের মধ্যে ভোট না হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে হবে, সে বিষয়টিকে বিজেপি গুরুত্ব দিচ্ছে না। তিনি জানান, উপনির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন দলগুলির যে মতামত চেয়েছে তার জবাব বিজেপির দিল্লি দফতর থেকে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ভোটের জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত। কিন্তু কোভিডের সময় ভোট হোক চাই না। বিধানসভা ভোটের সময় তৃণমূল নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেছিল কোভিড ছড়িয়ে পড়েছে বলে। সেই প্রচারের জেরে শেষের দিকের দফাগুলিতে ভোট কম পড়েছিল।
এখন উপনির্বাচনের বিরোধিতা করতে গিয়ে দিলীপবাবু রাজ্য সরকারের কিছু পদক্ষেপকেই হাতিয়ার করছেন। তিনি বলেন, কোভিড যদি চলে গিয়ে থাকে তাহলে লোকাল ট্রেন চালানোর অনুমতি কেন দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। কোভিড নিয়ে অন্যান্য কড়াকড়ি কেন বহাল রাখা হয়েছে।
রাজ্য প্রশাসনের অবশ্য বক্তব্য, যে সাত কেন্দ্রে বিধানসভার উপনির্বাচন করতে হবে সেখানে বেশ কয়েকদিন হল করানো আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য। ফলে সেখানে ভোট করার মতো পরিস্থিতি রয়েছে।