
শেষ আপডেট: 13 May 2023 07:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিষ্ণুপুরের রাজশোলে আধারকুলি ধর্মরাজ ঠাকুরকে স্থানীয় বাসিন্দারা অনেকেই জাগ্রত বলে মানেন। ২০২২ সালে নবম বার বিয়ে দেওয়া হয় এই ঠাকুরকে (marriage anniversary of God celebrated by the villagers)। সেই ধর্মরাজ ঠাকুরেরই নবম বিয়ের বিবাহবার্ষিকীতে (marriage anniversary of God) মেতে উঠলেন এলাকার বাসিন্দারা।
শনিবার এই ঠাকুরের মূর্তিতে টোপর পরিয়ে শুরু করা হয় পুজো। পাশাপাশি, ধর্মরাজ ঠাকুরের আগের আট জন স্ত্রী অর্থাৎ আট দেবী মুর্তিকেও পুজো করা হয়। এই মন্দিরের ওয়েলফেয়ার কমিটির সদস্য জানান ২০২২ সালে ৪৬ বছর পর বিয়ে দেওয়া হয় মন্দিরের প্রধান দেবতা ধর্মরাজ ঠাকুরকে। আর এই বিয়ে হয় মুক্তা দেবীর সঙ্গে।
কিন্তু কে এই মুক্তা দেবী? জানা গেছে, বহু বছর আগে এই ধর্মরাজ ঠাকুরের আশীর্বাদে সলদার সামন্ত পরিবারের ধান জমিতে মুক্তো পাওয়া গিয়েছিল। সেই জমির ধানকে গ্রামের সকলে মুক্তাধান বলেন। অনেকের মতে, এই ধান বিরল প্রজাতির ধান। ওই ধানকেই হাঁড়িতে রেখে দেবী হিসেবে পুজো করা হয়।
প্রতিবারই এই হাঁড়ি ভর্তি ধানকেই মুক্তা দেবী রূপে বিয়ে দেওয়া হয় ধর্মরাজ ঠাকুরের সঙ্গে। এর আগে মোট আটবার একই ভাবে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়দের মতে, এই ধর্মরাজ ঠাকুরের প্রথম বিয়ে হয়েছিল ৩০০ বছর আগে। সেই সময়ে দ্বিতীয়বার বিয়ের সময়ে প্রথম স্ত্রী ঘর ছাড়েন, তারপর থেকে পাশের এক মন্দিরেই বাস করেন তিনি, এমনই বিশ্বাস স্থানীয়দের।
মহেশতলায় জোড়া খুন! ঠাকুমা-নাতির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, কারণ নিয়ে ধন্দে পুলিশ