
শেষ আপডেট: 2 May 2022 13:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সকাল থেকে রাত। রাত ফুরিয়ে আবার সকাল। ক্যানিং স্টেশনে এখন শুধুই হাতুড়ির ঠকঠক আওয়াজ। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভেবে সব কিছু নতুন করে সাজানোর কাজ চলছে। যাত্রী শেডের লোহার কাঠামো, অ্যাসবেসটের ছাউনিতে চলছে রং করার কাজ। এতে আরাম বাড়বে নিত্যযাত্রীদের।
কিন্তু ওদের কী হবে?
ওদের কথা আর কেই বা ভাবে। তাই তো গাছপালা কেটে ছেঁটে কংক্রিটের জঙ্গল বেড়ে উঠছে। বাসস্থান হারাচ্ছে লাখে লাখে পাখি (Bird Nest)। বাধ্য হয়ে স্টেশনের অ্যাসবেসটের তলা, বা বাসস্ট্যান্ডের খুপরিতে কোনও রকমে আশ্রয় নিচ্ছে তারা। ক্যানিং স্টেশনে টিকিট কাউন্টারের সামনে অ্যাসবেসটের শেডের তলায় এমনই এক ঘুঘু দম্পতি ছানাদের নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। তবে তারা যাতে আশ্রয়হীন না হয়, সেদিকে নজর রাখার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন স্টেশন ম্যানেজার।
ওই ছোট্ট বাসায় (Bird Nest) ঘুঘু দম্পতির চারটে ছোট ছোট ছানা আছে। মিস্ত্রিরা যখনই বেশি ঠোকাঠুকি করে বা ঘুঘুর বাসার কাছে এসে কাজ করে, তখনই মা ঘুঘু প্রবল আতঙ্কে নিজের দুই ডানা ছড়িয়ে আড়াল করার চেষ্টা করে ছানাদের। তবে স্টেশন ম্যানেজারের নির্দেশ পাওয়ার পর নির্মাণ কর্মীরা এখন অনেক বেশি সতর্ক হয়ে গিয়েছেন। তাঁরা চেষ্টা করছেন যতটা সম্ভব কম বিরক্ত করে কাজ সারতে। ফলে ভিটে হারা হতে হচ্ছে না ঘুঘু পরিবারকে।
মেমারিতে নয়ানজুলিতে উল্টে গেল চারচাকা গাড়ি, প্রাণরক্ষা একমাসের শিশুর