
শেষ আপডেট: 22 March 2022 11:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বীরভূমের রামপুরহাটের হিংসার (Birbhum Violence) পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে৷ বাংলার সরকারকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার বগটুই গ্রামে গিয়ে ঘটনস্থল পরিদর্শনের পর এমনটাই জানালেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ৷ তিনি স্পষ্ট বলেন, ‘এই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত করতে রাজ্য সরকার সিট গঠন করেছে ৷ রাজ্য পুলিসের ডিজি-সহ পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে আসছেন ৷ যারাই জড়িত থাকুক না, শাস্তি তাদের হবেই৷’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দলের লোক খুন হয়েছে। আমি আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘরের ভিতর ঢুকতে পারিনি, কারণ ফরেনসিক তদন্ত হবে। কীভাবে আগুন লাগল এখনই বলা সম্ভব নয়। গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে নাকি অন্যকোনও কারণে আগুন তা তদন্তের পরই জানা যাবে (Birbhum Violence)।
এদিন ফিরহাদ যখন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, তাঁর পাশে দেখা যায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। তাঁকে আগুনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি কোনও উত্তর দেননি।
অন্যদিকে এদিন বিধানসভায় পরিষদীয় মন্ত্রী ও তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও একই দাবি করেন। তিনি জানান, রামপুরহাট কাণ্ড (Birbhum Violence) দুর্ভাগ্যজনক! কিন্তু এই কাণ্ডের পিছনে রাজ্য সরকারকে কালিমালিপ্ত করতে বৃহত্তর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রও রয়েছে ৷ একই সঙ্গে তাঁর আশ্বাস, তৃণমূলের উপপ্রধানকে প্রথমে খুন এবং তার পর বাড়িতে আগুন দিয়ে বেশ কয়েকজনকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রত্যেকের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার৷
উল্লেখ্য, সোমবার রাতে রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে খুন হন তৃণমূলের স্থানীয় উপপ্রধান ভাদু শেখ৷ এই ঘটনার পরই অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, বগটুই গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা ৷ যার জেরে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয় (Birbhum Violence)।
রামপুরহাট কাণ্ডে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্র, দিল্লি থেকে জানালেন সুকান্ত