প্রাক্তন প্রেমিকের যৌনাঙ্গ কেটে নিজের জিম্মায় রেখেছিলেন দাঁতের ডাক্তার, সাজা হল ১০ বছরের জেল
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এত বছরের প্রেম ভুলে শেষে অন্য মহিলাকে বিয়ে! আর সহ্য হয়নি প্রেমিকার। পেশায় দন্ত চিকিৎসক। নিজের ক্লিনিকে ডেকে পাঠিয়ে প্রাক্তন প্রেমিকের যৌনাঙ্গই কেটে দিয়েছিলেন তিনি। ২০০৮ সালে এই ঘটনা ঘটে বেঙ্গালুরুর একটি ডেন্টাল ক্লিনিকে। ১১
শেষ আপডেট: 15 December 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এত বছরের প্রেম ভুলে শেষে অন্য মহিলাকে বিয়ে! আর সহ্য হয়নি প্রেমিকার। পেশায় দন্ত চিকিৎসক। নিজের ক্লিনিকে ডেকে পাঠিয়ে প্রাক্তন প্রেমিকের যৌনাঙ্গই কেটে দিয়েছিলেন তিনি। ২০০৮ সালে এই ঘটনা ঘটে বেঙ্গালুরুর একটি ডেন্টাল ক্লিনিকে। ১১ বছর পরে সেই মামলার রায়ে অভিযুক্ত মহিলাকে দশ বছরের সশ্রম কারাবাসের সাজা শোনাল আদালত। সেই সঙ্গে আক্রান্ত যুবককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে দু’লক্ষ কাটা।
বেঙ্গালুরুর কোরামাঙ্গালায় একটি ক্লিনিক চালান ৪৫ বছরের সায়েদা আমিদা নাহিম। পুলিশ জানিয়েছে, মাইসুরুর এক চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় তাঁর। প্রেম চলে বেশ কয়েক বছর। পরে সেই প্রেম ভেঙে যায়। অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করেন ওই যুবক। এই কথা জানতে পেরেই প্রাক্তন প্রেমিককে ‘শাস্তি’ দেওয়ার কথা ভাবেন সায়েদা।
২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর। যুবককে নিজের ক্লিনিকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন সায়েদা। আক্রান্ত যুবক জানিয়েছেন, তাঁকে ফলের রস খেতে দিয়েছিলেন সায়েদা। সেটা খাওয়ার পরেই অজ্ঞান হয়ে যান তিনি। হুঁশ ফেরে তীব্র যন্ত্রণায়। ক্লিনিকের ভিতরেই তাঁর যৌনাঙ্গ কেটে নিয়েছিলেন সায়েদা। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে একটি হাসপাতালের সামনে ফেলে দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। নির্যাতিত যুবক বলেছেন, ডাক্তার জানিয়েছিলেন কাটা যৌনাঙ্গ ফিরে পেলে অস্ত্রোপচার করে ক্ষত সারানো সম্ভব। বারংবার অনুরোধের পরেও সায়েদা তা ফিরিয়ে দেননি। বদলে নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করতে থাকেন। এরপরেই সায়েদার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন আক্রান্ত যুবক ও তাঁর স্ত্রী। মামলা শুরু হয় বেঙ্গালুরুর একটি আদালতে।

এই ঘটনার পর দীর্ঘদিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন সায়েদা। তাঁর দাবি ছিল, ক্লিনিকে একটি দুর্ঘটনায় এমন ঘটে। তবে তাঁর সব আর্জিই খারিজ করে দেন বিচারক। মামলার রায় শোনাতে গিয়ে বিচারক বলেছেন, “আক্রান্ত যুবক তাঁর বিবাহিত জীবন হারিয়েছেন। মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছেন। এটা দণ্ডনীয় অপরাধ। কোনওভাবেই ক্ষমা করা যায় না।” খুব দ্রুত ক্ষতিপূরণের টাকা না দিলে সাজার মেয়াদ আরও বাড়বে বলে জানানো হয়েছে।