
শেষ আপডেট: 13 February 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ। এখন এই হাসপাতালের নাম শুনলেই অনেকে ওরে বাবারে করে ওঠেন। কুকুরাতঙ্ক এমন জায়গায় পৌঁছেছে এনআরএস চত্বরে যে, দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীরা রীতিমতো ভীত। কিন্তু কুকুরের উৎপাত ঠেকাতে ব্যবস্থা না নিলেও, কাউকে কামড়ে দিলে তাঁর শুশ্রূষার জন্য পাকা ব্যবস্থা করে রাখল এনআরএস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ডগ বাইট ক্লিনিক খুলল এনআরএস কর্তৃপক্ষ। সেখানে একজন আরএমও-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের সুপার সৌরভ চট্টোপাধ্যায় এ কথা জানিয়েছেন।
গতকাল অর্থাৎ বুধবার একটি আট বছরের ছেলেকে কুকুর কামড়ে দিয়েছিল। মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থেকে মায়ের সঙ্গে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় এসে এনআরএস-এর উঠোনেই কুকুরের কামড় খেতে হয় তাকে। এরপর অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন নেই বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ফিরিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন শিশুটির মা। তিনি জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, এখানে ইঞ্জেকশন নেই। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে যান। ওই ভদ্রমহিলা জানিয়েছিলেন, তিনি কলকাতার কিছুই চেনেন না। কী করবেন বুঝেই উঠতে পারছেন না।
এ দিন সুপার জানান, হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন রয়েছে। তাও কেন এ রকম ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার ১২ জন আরএমও-কে ডেকে সতর্ক করা হয়েছে।
এনআরএস চত্বরে ১৬টি কুকুর ছানার দেহ উদ্ধার ঘিরে গত মাসে হইহই পরে গিয়েছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই রানি মল্লিক নামের একটি শিশুকে হাসপাতালেই কুকুর কামড়ে মাংস তুলে নেয়। রোগীরা জানিয়েছেন, কুকুরের উৎপাতে কেউ টিকতেই পারে না।