
শেষ আপডেট: 10 May 2023 15:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: প্রাণ হাতে নিয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে বাড়ি ফিরলেন বাংলার তিরন্দাজ (Bengal Archer)। জাতি-উপজাতির অশান্তিতে পুড়ছে মণিপুর (Manipur Crisis)। ইম্ফলের ন্যাশনাল স্পোর্টস ইউনিভার্সিটিতে তিরন্দাজির প্রশিক্ষণ নিতে ভর্তি হয়েছিলেন সপ্তর্ষি কুমার। তাঁর বাড়ি চিত্তরঞ্জনের আর সাইট এরিয়ায়।
অশান্ত ইম্ফলের আটকে পড়া ছেলেকে ফিরিয়ে আনতে ঘুম ছুটেছিল মা সোনালী কুমারের। তিনি নিজেও জিমন্যাস্টিককে জাতীয় স্তরে পুরস্কার জয়ী। এখন চাকরি করেন চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানায়। ছেলেকে ফেরি আসছে শুনেই গরম উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার চিত্তরঞ্জন থেকে দমদম বিমানবন্দরে ছুটে গিয়েছিলেন সোনালী দেবীও। সামনে ছেলেকে অক্ষত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন।
সপ্তর্ষি জানিয়েছেন, বছর খানেক হয়েছে তিনি মণিপুরে গিয়েছেন। এর আগে কখনও তাঁকে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়নি। যেখানে-সেখানে সংঘর্ষ হচ্ছে। অনেক মানুষ মারা গেছেন। সেখানে বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। হাজার হাজার মানুষ রয়েছেন সেনা ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন। আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে বাসিন্দাদের।
সোনালী দেবী জানান, ছেলের নাম, মোবাইল নম্বর দিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ইমেল করে ফেরানো আবেদন করেছিলেন তিনি। রাজ্য সরকারের হেল্প লাইনের মাধ্যমে ছেলের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। পরে রাজ্য সরকারের উদ্যোগেই ইম্ফল থেকে ছেলেকে ফেরানো সম্ভব হল। বিমানের টিকিট সহ সব রকম সহযোগিতা করেছে রাজ্য সরকার। মণিপুর প্রশাসনও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করে গেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যে ছটায় ইম্ফল থেকে সপ্তর্ষি সহ ১৪ জন নিয়ে একটি বিমান দমদমের উদ্দেশে রওনা দেয়। সপ্তর্ষির সঙ্গে আসানসোলের আশুতোষ কুমার, বাঁকুড়ার সুরজ মহান্ত, বীরভূমের সুবোধ মাড্ডি, পূর্ব বর্ধমানের রাজ ঘোষ সহ হাওড়া, হুগলি ও কলকাতার পড়ুয়ারাও নিরাপদে বাড়ি ফিরেছে।
ভাতারের বিয়েবাড়িতে কনের স্লোগান-মন্ত্র, 'ছাদনাতলায় দিচ্ছি ডাক, বঞ্চিতরা চাকরি পাক'