
শেষ আপডেট: 19 September 2023 15:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছিল স্বামীর। স্বামীর চাকরি পেতে শিক্ষা দফতরে আবেদন জানান স্ত্রী। চাকরি মেলেনি। মা মারা যাওয়ার পর বাবার চাকরি পেতে শিক্ষা দফতরে আবেদন জানান ছেলে। সরকারি দফতরের টালবাহানা দেখে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বাঁকুড়ার কোতুলপুর ব্লকের মুড়াকাটা গ্রামের প্রভাত কুমার পাল (bankura job seekers)।
তারপর অতিক্রান্ত এক যুগেরও বেশি সময়। কর্মরত অবস্থায় মৃত বাবার চাকরি পেতে আইনি লড়াই লড়তে গিয়ে পরিবারের সঞ্চয় খুইয়ে এখন অন্যের কাপড়ের দোকানে কাজ করেন প্রভাত। সম্প্রতি আদালত থেকে মিলেছে চাকরির অনুমতিও।
প্রভাতের কথায়, “বাবা কর্মরত অবস্থায় মারা গিয়েছিলেন। সরকারি নিয়মেই পরিবারের একজনের চাকরি পাওয়ার কথা। ১৪ বছর পর আদালত থেকে চাকরির নির্দেশও দিয়েছে। তারপরেও চাকরি পেলাম না। ফের যে আদালতে যাব, সেই টাকাটুকুও নেই।”
পেশায় প্রাথমিক শিক্ষক ছিলেন প্রভাতের বাবা দুর্গাপদ পাল। চাকুরিরত অবস্থায় ১৯৯৩ সালে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় তাঁর। তিন কন্যা ও একমাত্র পুত্র নাবালক থাকায় সরকারি নিয়মে স্বামীর চাকরি পেতে আবেদন জানিয়েছিলেন স্ত্রী অঞ্জলি। চাকরি পাওয়ার আগেই ২০০০ সালে মৃত্যু হয় তাঁরও। ২০০৮ সালে বাবার চাকরি চেয়ে শিক্ষা দফতরে আবেদন জানায় প্রভাত। সম্প্রতি আদালতের রায়ে মুখে হাসি ফুটেছিল তাঁর। কিন্তু আদালতের নির্দেশের পরও চাকরি না মেলায় রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন অনাথ প্রভাত।
আরও পড়ুন: 'বাংলা শিল্পবান্ধব', স্পেনে রাজ্যের পরিকাঠামোর নিপুণ বিপণন মুখ্যমন্ত্রী মমতার