দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপাড়ার পর এবার বৈদ্যবাটি। সাইবার প্রতারণার শিকার হলেন এক প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মী। গত ২৯ নভেম্বর উত্তরপাড়ার প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মী স্নেহাশিস ঘোষ অনলাইনে প্রতারিত হয়ে দু'লাখ টাকা খুইয়েছিলেন। এবার বৈদ্যবাটির প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মী ধনঞ্জয় ঘোষও প্রতারণার ফাঁদে পড়লেন।
দিন ২০ আগেই বিএসএনএল এর একটি নতুন সিম নিয়েছিলেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মী ধনঞ্জয় ঘোষ। শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর মোবাইলে যখন কেওয়াইসি আপডেটের জন্য মেসেজ আসে, মোবাইল নম্বর দেখা যাচ্ছিল সেখানে। এদিকে বিএসএনএল থেকে মেসেজ এসেছে দেখে ওই নম্বরে ফোন করে ফেলেন ধনঞ্জয় বাবু। আর, তাতেই কেল্লা ফতে।
নিজের অজান্তেই প্রতারকের ফাঁদে পা দিয়ে দেন ওই প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মী। পরে অ্যাপ ডাউনলোড থেকে শুরু করে ডেবিট কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করা, ওটিপি শেয়ার, মানে যা যা করতে বারণ করেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা সে সবই করে চলেন প্রতারকের কথা মতো। ফলস্বরূপ সাত দফায় মোট ৬৫ হাজার টাকা গায়েব হয়ে যায় ধনঞ্জয় বাবুর ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্ট থেকে!
এরপরই শেওড়াফুলি পুলিশ ফাঁড়ি এবং চন্দননগর সাইবার সেলে অভিযোগ জানান বৈদ্যবাটি কাজিপাড়ার বাসিন্দা ওই প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মী।
মোবাইল নম্বর ব্লক হয়ে যাওয়ার ভয়েই তিনি অনলাইনে কেওয়াইসি আপডেট করতে গেছিলেন বলে জানান। তাতেই প্রতারণার ফাঁদে পড়েন।
চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সাইবার সেলে প্রায় প্রতিদিনই এ ধরনের অভিযোগ জমা পড়ছে।বারবার সচেতনতার প্রচার চললেও অভিজ্ঞ ব্যাঙ্ককর্মীরাও এখন সাইবার প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। যেটি যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ বলে মনে করছে পুলিশ প্রশাসন।