দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি ভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি না করলেও মঙ্গলবার রাতে রাজ্যের সমস্ত কোভিড হাসপাতালকে বার্তা পাঠিয়ে স্বাস্থ্য ভবন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, ওয়ার্ডের মধ্যে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না কোনও রোগী বা স্বাস্থ্যকর্মী।
স্বাস্থ্য ভবনের সেই নির্দেশের পরই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় প্রশ্ন তুলেছেন, সম্প্রতি বাঙ্গুর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে তোলা এক রোগীর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মতে সম্ভবত সেটাই কারণ বলে এখন মনে হচ্ছে।
সেইসঙ্গে তিনি বুধবার ফের দু'টি প্রশ্ন তুলেছেন। এক, হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে যে যুবক ওই ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে কি মামলা করেছে পুলিশ? তা কি আটক করা হয়েছিল?
আসানসোলের সাংসদের দ্বিতীয় প্রশ্ন হল, ওই ভিডিওটি ফেক তথা সাজানো কিনা সে ব্যাপারে রাজ্য সরকার এখনও কোনও জবাব দেয়নি। তা হলে কি বুঝে নিতে হবে ভিডিওটি সঠিক। যদি তাই হয়, তা হলে বাঙ্গুর হাসপাতালের পরিস্থিতি কী তা যেন জানায় সরকার।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এ ব্যাপারে বিশদে টুইটও করেছেন। তবে রাজ্য সরকারের তরফে এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
https://twitter.com/SuPriyoBabul/status/1252828771826065410
এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের পরিস্থিতিতে এক শ্রেণির লোক সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। এক জায়গায় ছবিকে অন্য জায়গার বলে চালিয়ে দিচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, এই সংকটের পরিস্থিতিতে অনেক সাজানো ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে। তা বিভ্রান্ত হচ্ছে মানুষ।
পাশাপাশি এও ঠিক যে, এমন কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যাতে প্রকৃত অবস্থার কথা তুলে ধরা হয়েছে। কখনও সেই সব ভিডিও মানুষকে সচেতন হতে সাহায্য করেছে, কখনও বা পুলিশ ও প্রশাসনকে কোনও স্থানে সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজে লেগেছে, আবার কখনও বা তাতে সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারি ব্যবস্থার গলদ ও ত্রুটির বিষয় প্রকট ভাবে ধরা পড়েছে।
রাজ্য সরকার তথা স্বাস্থ্য ভবনের ব্যাপারে সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু পোস্টকে ভুয়ো বা সাজানো বলে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে। তবে এটা ঠিক বাঙ্গুর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের ভিডিও বলে যে ক্লিপিংসটি ভাইরাল হয়েছে সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানায়নি রাজ্য সরকার বা পুলিশ।