
শেষ আপডেট: 4 March 2020 18:30
দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, বাঁচার কাতর আর্তি জানিয়েছে গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ২১ হাজার ফোন কল এসেছে পুলিশের কন্ট্রোল রুমে। পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক বলেছেন, “ফেব্রুয়ারি ২৪ ও ২৫ তারিখেই প্রায় ১৩ হাজার ফোন এসেছে। সবকটিই বিক্ষোভ সংক্রান্ত। আতঙ্কে ও উদ্ধার করার তীব্র আর্তি জানিয়েছে ফোন করেছেন অন্তত ছ’হাজার মানুষ।” কেবলমাত্র পশ্চিম দিল্লি থেকেই ৪৮১টি ফোন কল পেয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে তিলকনগর এলাকা থেকে ১৪৮টি, খয়াল পুলিশ স্টেশন এলাকা থেকে ১৪৩টি ফোন কল করা হয়েছে। দিল্লির বাইরে থেকে ২২২টি কল এসেছে পুলিশের কন্ট্রোল রুমে। তবে পুলিশ সূত্র জানাচ্ছে, সে সবই ছিল ভুয়ো কল।
সংঘর্ষের আবরণ কেটে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে উত্তর-পূর্ব দিল্লি। তবে রাস্তাঘাট ফাঁকা, গুটিকয়েক দোকানের ঝাঁপ খুলেছে। এখনও বেশ কিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। সবরকমের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে টহল দিচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র্যাফ)।জায়গায় জায়গায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ এবং আধাসেনা। হিংসা সংক্রান্ত ঘটনার তদন্তের জন্য ইতিমধ্যেই দুটি বিশেষ তদন্তকারী দল তৈরি করেছে দিল্লি পুলিশ।
দিল্লি হিংসার আগে উস্কানিমূলক বক্তৃতা দেওয়ার জন্য বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার আর্জি শুনতে ৬ মার্চ দিল্লি হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শান্তি ফেরানোর জন্য কোনও পদক্ষেপ করা যায় কি না তাও খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।