দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাণাঘাট থেকে তৃণমূল প্রার্থী রূপালি বিশ্বাস জিততে পারলে, তিনিই হতেন সপ্তদশ লোকসভার সর্বকনিষ্ঠ সংসদ। কিন্তু তা হয়নি। হারতে হয়েছে নিহত বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের স্ত্রীকে। তাই সর্বকনিষ্ঠ সাংসদ হিসেবে সংসদে যাচ্ছেন ওড়িশার কেওনঝড় কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত বিজু জনতা দলের সাংসদ চন্দ্রাণী মুর্মু।
২৫ বছর ১১ মাস বয়েসে সাংসদ হয়েছেন চন্দ্রাণী। সদ্য রাজনীতির আঙিনায় পা রেখেছেন। তাঁকেই এ বার প্রার্থী করেছিল নবীন পট্টনায়েকের দল। তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন বিজেপি-র দু’বারের সাংসদ অনন্ত নায়েক। কিন্তু এই তরুণীই বর্ষীয়ান অনন্তকে পরাজিত করেছেন প্রায় ৬৬ হাজার ভোটে।
ভোটে জেতার পর চন্দ্রাণী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “সাংসদ হয়ে আমার প্রথম লক্ষ্য আমার এলাকায় কর্মসংস্থান বাড়ানো।” খনিজ সম্পদে ঠাসা কেওনঝড়। আদিবাসী ও উপজাতি অধ্যুষিত এই এলাকায় কর্মসংস্থানের যে বিরাট আকাল রয়েছে বতা মেনে নিয়েছেন চন্দ্রাণী।
তবে রাণাঘাট থেকে রূপালি জিতলে চন্দ্রমণির আর রেকর্ড করা হতো না। কারণ যে দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করছেন, সে দিনও রূপালির বয়স ২৫ হয়নি। মমতা বলেছিলেন, “ওঁর এখনও ২৫ হয়নি। এক দম বাচ্চা মেয়ে। তবে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারির সময়ে ওঁর ২৫ হয়ে যাবে।” সরস্বতী পুজোর পরের দিন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জে খুন হন তরুণ বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। পর্যবেক্ষকদের মতে, সহানুভূতির ভোট পেতেই তৃণমূল রূপালিকে প্রার্থী করেছিল। দেড় বছরের বাচ্চা কোলে ভোটে প্রচার করেছেন রূপালি। কিন্তু জয় আসেনি। রাণাঘাট আসন তৃণমূলের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। রূপালি জিতলে ২৫ বছর দু’মাস বয়সে যেতেন সংসদে।