
শেষ আপডেট: 10 August 2022 10:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৭ সালে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। গত শুক্রবার আদালত বলেছে, ১৯ জন নেতামন্ত্রীর সম্পত্তি (Assets) বৃদ্ধি মামলায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে অন্তর্ভুক্ত (পার্টি) করতে হবে। বুধবার বিধানসভায় সাংবাদিক সম্মেলন করে ফিরহাদ হাকিম, ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটক-সহ ৬ জন মন্ত্রী দাবি করেছেন, গত কয়েকদিন ধরে গণমাধ্যমে যে কথা বলা হচ্ছে তা অর্ধসত্য। সংবাদমাধ্যম যাতে পুরোটা দেখায় বা লেখে সে ব্যাপারে আর্জি জানান রাজ্যের মন্ত্রীরা।
এখন প্রশ্ন হল, পুরো সত্যটা কী?
ব্রাত্য বসু দাবি করেছেন, “আজকে আদালতের পুরো রায় আপলোড হয়েছে। সেই কপি আমরা পেয়েছি। তারপরেই এই সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছি।” এরপর ব্রাত্য বসু বলেন, “ওই তালিকায় নাম রয়েছে অধীর চৌধুরী, সূর্যকান্ত মিশ্র, অশোক ভট্টাচার্য, কান্তি গাঙ্গুলি, আবু হেনা, ফণীভূষণ মাহাতো, ধীরেন বাগদি, রূপরানি মণ্ডল, চন্দন সাহা, নেপাল মাহাতো, মোহিত সেনগুপ্তরও।”
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য, “সিপিএম-কংগ্রেস নিয়ে আমি মন্তব্য করছি না। এটা আদালতের পর্যবেক্ষণ (যেটি ব্রাত্যরা বললেন)। গত দু’দিন ধরে এই ধারণা তৈরি হল, তৃণমূলের লোকেদেরই শুধু সম্পত্তি বেড়েছে। শুধুমাত্র তৃণমূলের নেতামন্ত্রীদের দাগিয়ে দেওয়া হল। চাইব, গণমাধ্যম সবটা প্রকাশ করুক।”
এ ব্যাপারে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, “চোরের মায়ের বড় গলা! কে ফিরহাদ, কে ব্রাত্য—তাঁদের কথার জবাব দেব? আদালত কী বলেছে সেটা দেখুন।”
ফিরহাদ হাকিম এদিন বলেন, “মানুষের কাজ করার জন্য নিজেদের সুখ শান্তি রেখে এসে রাস্তায় নেমেছিলাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে। কখনও রাজনৈতি উদ্দেশ্যে, কখনও চক্রান্ত করে আমাদের অসম্মমানিত করা হচ্ছে।” সাংবাদিক বৈঠকে ববি এও প্রশ্ন তোলেন, “আমরা কি সম্পত্তি, টাকা-পয়সা ইনকাম ট্যাক্সকে জানাইনি? আমরা কি গোপন করেছি? আমি ব্যবসা করি। সেই টাকা দিয়ে সংসার চালাই।” কলকাতার মেয়র আরও বলেন, “আসলে এই পিআইএল পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন (জনস্বার্থ মামলা) নয় এটা পলিটিক্যাল ইন্টারেস্ট লিটিগেশন। অর্ধসত্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে।”
শপথ নিলেন নীতীশ, তেজস্বী, চাচা মুখ্যমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন ভাতিজা উপমুখ্যমন্ত্রী